মুসল্লি সংকট নিরসনে চাই মাদ্রাসা ও উন্মুক্ত লাইব্রেরি

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৩, ১১:৪৪ পিএম

দুই হাজার বছরের প্রাচীনতম জনপদ কাপাসিয়ার বি/৭৭ ওয়েলফশন অফিস রোডের পশ্চিম দিকে ১৭ শতাংশ জমির ওপর অবস্থিত বর্জাপুর পাঁচুয়া রিয়াদ জামে মসজিদ। যেখানে পাঁচশতের অধিক মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদ নির্মাণে অর্থায়ন করে সৌদি আরবের শায়খ আবদুল্লাহ বিন মুসা আল ইসমাইল। সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ ২০০০ সালে মসজিদটি উদ্বোধন করেন। মসজিদটি আশপাশের এলাকার মধ্যে সব থেকে বড় হওয়ায়, বড় মসজিদ নামেও পরিচিতি লাভ করে।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, এই মসজিদে কখনো কখনো ঠিকমতো জামাত হয় না। মাওলানা আবু ইউসুফ একসঙ্গে মসজিদের ইমাম এবং মোয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করেন। মসজিদটির বর্তমানে দেখভাল করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সৈনিক আঙ্গুর মিলিটারি।

মুসল্লিদের অভাবে মসজিদটি সবসময় ফাঁকা থাকে। সবসময় বিরাজ করে একটা নিরবচ্ছিন্ন নীরবতা। তাই মসজিদের মুসল্লি বাড়ানোর লক্ষ্যে এবং ঠিকঠাকভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে একটা মাদ্রাসা এবং ইসলামিক পাবলিক লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। এর ফলে মানুষের চলাচল থাকবে মসজিদে।

ওয়েলফশন সত্য অনুসন্ধানী জ্ঞান অনুরাগী কল্যাণকামীদের উন্মুক্ত লাইব্রেরি এবং ওয়েলফশন আল ইসলামিয়া দারুল কোরআন ক্যাডেট মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার জন্য ওয়েলফশন মানবকল্যাণ সংঘ থেকে কিছু যুবক চেষ্টা করলেও তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি অর্থসংকটের জন্য। আধুনিক পাবলিক লাইব্রেরি এবং মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হলে এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে জ্ঞানের আলো, যে আলোয় আলোকিত হবে বিশ্ব।

তা ছাড়া আইটি দক্ষতার জন্য আইটি প্রশিক্ষণ কক্ষ রাখাও সম্ভব। মাদ্রাসাপড়–য়া শিক্ষার্থীরা তাদের জ্ঞানের দক্ষতা দ্বারা আলোড়ন সৃষ্টি করবে সারাবিশ্বে। মসজিদটি তিনতলা ফাউন্ডেশন দেওয়া রয়েছে। অন্তত দুইতলা সম্পূর্ণ করা হলে, মাদ্রাসা ও পাবলিক লাইব্রেরি স্থাপন করা যাবে। ফলে মসজিদে অন্তত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় হবে। এ বিষয়ে মসজিদের নির্মাতা, অর্থায়নকারী এবং উদ্বোধনকারী সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিত্ব, দানশীল ও আলেম-ওলামাদের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত