ফরিদপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ফরিদপুরে ১০০ কোটি ৫২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ভাই ও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস, এ এইচ এম ফোয়াদ, খন্দকার মোশাররফের প্রিয়ভাজন দুই সহোদর শহর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেল।
সিআইডির ইন্সপেক্টর মো. নাসিরউদ্দিন বাদী হয়ে গত বুধবার ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি এম এ জলিল বলেন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ দমন আইনে মামলাটি করা হয়েছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, সিদ্দিকুর রহমান সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবরের মাধ্যমে ঠিকাদারি কাজে ৩ থেকে ৫ পার্সেন্ট কমিশন নিতেন। খন্দকার বাবরের পর তিনি এপিএস ফোয়াদ, বরকত ও রুবেলের হেলমেট ও হাতুড়ি বাহিনী ব্যবহার করে কমিশন-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতেন। ক্ষমতার দাপটে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে ফরিদপুর চেম্বার অব কমার্স, ফরিদপুর রেলস্টেশনের পাশে বালু ও পাথরের ব্যবসা এবং সিঅ্যান্ডবি ঘাট ও টেপাখোলা গরুর হাট নিয়ন্ত্রণ করে ১০০ কোটি ৫২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা উপার্জন করেন। সিদ্দিকুর রহমান ছাড়া এ মামলার অন্যসব আসামি বিভিন্ন মামলায় বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।
এর আগে সিআইডি সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের অনুসারীদের বিরুদ্ধে দুই হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের একটি মামলার পর এপিএস ফোয়াদের নামে মানি লন্ডারিংয়ের আরও একটি মামলা করে। এর মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকার মামলায় ১ম দফায় ১০ জনের নামে এবং দ্বিতীয় দফায় আগের আসামিরাসহ ৪৬ জনের নামে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
