আইনের দৃষ্টিতে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিবৃতি গণমাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞার রিটে তার ঠিকানা সংশোধন করে পুনরায় আবেদন করতে রিটকারীদের নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
গতকাল মামলাটি হাইকোর্টের কার্যতালিকায় আসার পর রুলের শুনানি শুরু করতে আদালতে উপস্থাপন করেন রিটকারীপক্ষের আইনজীবীরা। অন্যদিকে বিষয়টি রাজনৈতিক উল্লেখ করে রুল শুনানির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। এ নিয়ে আদালতের এজলাসের ভেতরে দুপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে অন্তত দুবার হইচই হয়। দুপক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শুনে হাইকোর্ট ঠিকানা সংশোধন করে পুনরায় আবেদন করতে আদেশ দেয়।
শুনানির আগে এজলাসের বাইরে মূল দরজা ও আশপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানান, রুল নিয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে পাঠানো নোটিসে ঢাকায় শহীদ মইনুল রোডে তারেকের ঠিকানায় শব্দচয়নে ভুল লেখা হয়েছে।
তারেকের বিরুদ্ধে ফেরারি আসামি হয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করে বেআইনিভাবে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে ২০১৫ সালের ৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকী লিনা হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি করেন। এতে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বক্তব্য ও বিবৃতি প্রচারে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।
