ক্রিকেট বিশ্বে এখন আলোচিত বিষয় ‘বাজবল’। টেস্ট ক্রিকেটে বিপ্লব ঘটিয়েছে ইংল্যান্ডের যে কৌশল। কদিন আগে এই কৌশলেই ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে অ্যাশেজে বধ করেছে ইংলিশরা। সিরিজ জিততে না পারলেও হারেনি। করেছে ড্র। প্রথম দুই ম্যাচ হারের পর ঘুরে দাঁড়ায় তারা। যা ঐ বাজবল কৌশলেরই ফল।
বেন স্টোকসদের যোগ করা ক্রিকেটের নতুন ধারার এই কৌশল দর্শকদেরও টানছে। অ্যাশেজের প্রতিটি ম্যাচেই গ্যালারিতে দর্শক ছিল চোখে পড়ার মতো। সেই তালিকায় ছিলেন টটেনহ্যামের অস্ট্রেলিয়ান কোচ অ্যাঞ্জে পোস্টেকোগ্লো। ইংল্যান্ডের বাজবল ক্রিকেট মাঠে বসে দেখে মুগ্ধ হয়েছেন তিনি।
আর এই কৌশলটাই মনে ধরেছে টটেনহ্যাম কোচের। স্পার্সদের হয়ে সদ্য দায়িত্ব নেওয়া এই কোচ চলতি মৌসুমেই ফুটবলে বাজবল আনতে চান।
বাজবল নিয়ে স্পার্স কোচ বলেন, ‘আমি বাজবল খেলোয়াড়দের ভালোবাসি, আমি মনে করি এটি উজ্জ্বল! যেকোনো খেলায়, আমি যখন দলগুলোকে ঐতিহ্যগত ছাঁচ ভাঙতে দেখি তখন আমার বেশ ভালো লাগে। যদিও মানুষ তখন এটা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়ে। তবে আমি জানি এতে বিশেষ কিছু হতে পারে। গ্যারান্টি নেই যে ভালো কিছু হবেই। সব টুকরো টুকরো হয়ে যেতে পারে এবং কান্নায় শেষ হতে পারে। কিন্তু আপনি লোকদের অস্বস্তিকর করে তোলার থেকে যখন নতুন স্থল ভাঙছেন তখন এটিকে আমি জীবনের যেকোনো কিছুতে ভালোবাসি। এখানেই বিশেষ জিনিস বিদ্যমান এবং আমি যে ধরনের স্থানের মধ্যে আছি।’
টটেনহ্যামের আগের দুই সেরা কোচ মরিনহো এবং কন্তের শৈলীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এর বিপরীত শৈলী প্রদর্শন করতে চান জানিয়ে বলেন, ‘ফুটবলের সৌন্দর্য হলো, আপনি অনেক উপায়ে সাফল্য পেতে পারেন, অনেক উপায়ে আপনি আপনার দলকে সেট করতে পারেন, অনেক উপায়ে আপনি বিরোধীদের মোকাবিলা করতে পারেন।’
তিনি যোগ করেছেন, ‘তবে এই জাতীয় ফুটবল ক্লাবে নতুন কিছু আনতে হবে। যেটি ধারাবাহিকভাবে দল সন্ধান করেছে, সমর্থকরাও পছন্দ করেছে। বাজবলের সঙ্গে এই ধরনের ফুটবলের একটি সংযোগ রয়েছে। সুতরাং, আমি যদি এই ধরনের ফুটবল আনতে পারি, তবে আমার মনে হয়, আমরা আমাদের পিছনে সমর্থকদের পাব, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে এবং সেই শক্তি তখন দলে স্থানান্তরযোগ্য হবে।’