বর্ষার দিনে শিশুর যত্নে মনোযোগ দিন

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৩, ০১:৩৪ এএম

বর্ষাকাল এমন একটি সময়, যে সময়ে অনেক রোগের প্রকোপ বাড়ে। আর শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তারা নানা রোগে আক্রান্ত হয়। এ সময় শিশুর ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ঠান্ডা জ্বর, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, ডেঙ্গু ইত্যাদি দেখা দেয় অন্য সময়ের তুলনায় অধিক পরিমাণে। এ ছাড়া এই বর্ষার মৌসুমে পানিবাহিত রোগ যেমন : জন্ডিস, ডায়রিয়া, কলেরায় আক্রান্ত হয় শিশুরা।

অতিরিক্ত বৃষ্টিতে পানি দূষিত হওয়ার পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেয়। বৃষ্টিতে ভিজে অনেক শিশুই আক্রান্ত হয় ঠান্ডা, জ্বর, গলা ব্যথায়। তা ছাড়া যেসব শিশুর অ্যাজমার প্রবণতা থাকে তাদের এই মৌসুমে শ্বাসকষ্ট কাশি বেড়ে যায়। জীবাণুমুক্ত রাখতে তাই শিশুকে পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখুন। বৃষ্টিতে ভিজে গেলে সঙ্গে সঙ্গে মাথা শরীর মুছে ভেজা জামা বদলে ফেলুন। শিশুর জামাকাপড় জীবাণুমুক্ত করার জন্য স্যাভলন কিংবা ডেটল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

বাড়ির বাইরের মতোই বাড়ির ভেতরও জীবাণু আক্রান্ত হতে পারে। কেননা স্যাঁতসেঁতে জায়গা থাকলেই জীবাণু হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখতে হবে বাড়িটাকেও। বাড়িকে ড্যাম্পমুক্ত রাখতে যখন বৃষ্টি থাকবে না তখন জানালা খুলে ঘরেতে আলো বাতাসের ব্যবস্থা করা। শিশুর হাঁচি-কাশি শুরু হলেই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টি-হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ দিন। এতে শিশুর হাঁচি-কাশির প্রকোপ বড় আকার ধারণ করতে বাধা দেবে।

বর্ষা মৌসুমে শিশুকে সুস্থ রাখতে তার খাওয়া-দাওয়ার প্রতি হতে হবে সচেতন। শরীরে পানি ঘাটতি যেন না হয় তার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করাতে হবে। যে পানি পান করাবেন তা সময় নিয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে। বৃষ্টির পানিতে যদি ভিজে যায় তবে বাড়ি ফিরে ভালো করে গোসল করিয়ে দিতে হবে। ভিজে ত্বকে ফাঙ্গাল সংক্রমণ বেশি হয়। ঠান্ডা কমাতে ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খেতে দিতে পারেন। বাইরের খোলা খাবার ও পানীয় পান করা থেকে শিশুকে বিরত রাখুন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত