বিবৃতিতে জিএম কাদের

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অব্যবস্থাপনায় বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৩:১২ এএম

দেশে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অব্যবস্থাপনার কারণে ডেঙ্গু রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের। তিনি বলেছেন, দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে ওষুধ ও চিকিৎসার সুব্যবস্থা নেই। বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসায় টাকা গুনতে গুনতে ফতুর হচ্ছে রোগীর পরিবার। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষের যেন মাথাব্যথাই নেই। গতকাল রবিবার এক বিবৃতিতে জিএম কাদের এসব কথা বলেন। বিবৃতিতে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়েছে, যা ডেঙ্গুতে মৃত্যুর এ যাবতকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড। সাধারণ মানুষের ধারণা মৃতের সংখ্যা আরও বেশি। সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগী সংকুলান হচ্ছে না। স্যালাইনের অভাবে হাহাকার উঠেছে রোগীর স্বজনদের মধ্যে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, স্যালাইনের কোনো অভাব নেই।

অথচ হাসপাতালগুলোতে স্যালাইন নেই। ফার্মেসিতে ৯০ টাকা দামের স্যালাইন বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। বিবৃতিতে জিএম কাদের আরও বলেন, রোগীদের অভিযোগ নার্সদের মাধ্যমেই চিকিৎসা পাচ্ছেন রোগীরা। ২৪ ঘণ্টায় একবারও ডাক্তারের দেখা মেলে না সরকারি হাসপাতালে। বেসরকারি হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসা ও সেবা পেলেও গুনতে হচ্ছে বিপুল অঙ্কের টাকা। বেসরকারি হাসপাতালে রোগীরা কেবিন ভাড়া, আইসিইউ ভাড়া, ওষুধ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরিদর্শন বাবদ গুনতে হচ্ছে প্রায় লাখ টাকা। তবে, হাসপাতাল ভেদে এই খরচ বেড়ে যায় কয়েকগুণ। বেসরকারি হাসপাতালে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা নেওয়ার সামর্থ্য নেই। সাধারণ মানুষ যেন স্বাভাবিক চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার হারিয়েছে। বিবৃতিতে জাপা চেয়ারম্যান আরও বলেন, দুই সিটি করপোরেশন শুধু মশা মারার ওষুধ ছিটিয়ে দায়িত্ব শেষ করছে। স্প্রে করা ওষুধে মশা মরছে কি না তাও দেখার কেউ নেই। জবাবদিহিতা থাকলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হতো না। ডেঙ্গু নির্মূলে সরকারের ব্যর্থতা সাধারণ মানুষ মেনে নেবে না

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত