টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে প্রতিবেশী ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। তার নাম নজরুল ইসলাম (৪৫)। এ বিষয়ে গত ১৮ সেপ্টেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা হয়েছে। ওই স্কুলছাত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানিয়েছে পরিবারের সদস্যরা।
অভিয়োগ রয়েছে, নজরুল ইসলাম ধনাঢ্য ও প্রভাবশালী হওয়ায় এলাকার নেতৃস্থানীয়রা মোটা অঙ্কের সুবিধা নিয়ে বিষয়টি ভিন্ন খাতে নেওয়ার ও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
ওই ¯ু‹লছাত্রীর বরাত দিয়ে পরিবারের সদস্যরা বলেন, গত রমজানের মাঝামাঝিতে নজরুলের স্ত্রী কিছু পেঁয়াজ ও রসুনের খোসা ছাড়াতে ডাকেন ওই স্কুলছাত্রীকে। একটি কক্ষে খোসা ছাড়াতে দিয়ে সে আরও পেঁয়াজ-রসুন আনতে যান।
এ সময় নজরুল রুমে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিয়ে জোরপূর্বক সম্মানহানি করে। সে সময় নজরুলের স্ত্রী বাড়িতে থেকেও বাধা না দিয়ে উল্টো স্কুলছাত্রীর ভাইকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বলেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য অভিযুক্ত নজরুল ইসলামের বাড়িতে গিয়েও পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। এক আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সালমা জাহান জানান, মেডিকেল পরীক্ষায় কিশোরীর শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। মেয়েটি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
পুলিশের টাঙ্গাইল আদালত পরিদর্শক মো. তানভীর আহমেদ জানান, গতকাল বুধবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেশকে জান্নাত রিপা কিশোরীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন।
নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মোস্তাকিন ইসলাম ফরিদ (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে তাকে ডিমলা উপজেলার মতির বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গতকাল শুক্রবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বরাত দিয়ে ডোমার থানার ওসি মাহমুদ উন নবী জানান, চলতি বছরের ৩০ মার্চ সকালে ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী গরুকে খাওয়ানোর জন্য ক্ষেত থেকে ভুট্টার পাতা আনতে গেলে একা পেয়ে ছাত্রীকে ওই ভুট্টাক্ষেতে ধর্ষণ করে যুবক মোস্তাকিন ইসলাম ফরিদ। লোকলজ্জায় ঘটনাটি আড়াল করলেও ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হলে পরে বিষয়টি জানাজানি হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে ছাত্রীর চাচা বাদী হয়ে ডোমার থানায় মামলা করেন।
