শীতে অল্প পুঁজির ব্যবসা

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৩, ১০:৫৪ পিএম

শীতের সময় এমন কিছু ব্যবসা রয়েছে, যা অল্প মূলধন দিয়ে শুরু করা যায়। কী সেসব ব্যবসা তা জানিয়েছেন সুলতানা নাহার

কেডস, স্নিকার্স ও কনভার্স

অন্য যে কোনো সময় যে কোনো ধরনের জুতা-স্যান্ডেল পরলেও শীতের সময় শীত নিবারণের জন্য পা-ঢাকা জুতা দরকার পড়ে। তাই এ সময় কমবেশি সবারই পরতে হয় কেডস, স্নিকার্স, কনভার্স।  ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে যে কেউ জুতার ব্যবসা শুরু করতে পারেন। মূলত চায়না থেকে আমদানিকারকরা কেডস, স্নিকার্স, কনভার্স নিয়ে আসনে। এদের কাজ থেকে পাইকারি হিসেবে কিনে অনলাইন, ফুটপাত কিংবা ভ্যানে বিক্রি করতে পারেন। বিক্রির জন্য বড় শহর থেকে বরং জেলা শহরগুলোই উপযুক্ত।

পোশাক ও কম্বল

শীত শুরুর সঙ্গে সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যে পণ্যের চাহিদা হয় সেটা হলো শীতের পোশাক ও কম্বল। চাইলে এই ব্যবসাটি শুরু  করতে পারেন অতি অল্প পুঁজিতে। বঙ্গবাজার থেকে শীতের জন্য হুডি, ব্লেজার, ফুল হাতা টি-শার্ট ইত্যাদি কিনতে পারেন। পাইকারি বা হোলসেল দোকানগুলো থেকে দেশি ও বিদেশি দুধরনের কম্বল  কেনা যায়। একটু বেশি পরিমাণে কিনলে অনেকটাই ছাড় পাবেন। অনলাইন বা ভ্যানে নিয়ে ব্যবসা করলে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ৫০ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন।

খেজুরের গুড়

শীতের সময় পিঠাপুলি খাওয়ার কারণে খেজুরের গুড়ের চাহিদা থাকে। চাইলে এ সময়ে খেজুর গুড় সংগ্রহ করে অফলাইন ও অনলাইনে বিক্রি করা যায়। এ ব্যবসা করতে খুব বেশি পুঁজির দরকার হয় না। যশোর খেজুরের গুড়-পাটালির  জন্য বিখ্যাত। যশোর থেকে যারা তৈরি করেন তাদের কাছ থেকে কম দামে খাঁটি খেজুরের গুড় বা পাটালি এনে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। প্রাথমিক অবস্থায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা হলেই ব্যবসা করা যায়। একবার আপনার প্রতিষ্ঠানের খেজুড়ের গুড়ের সুনাম ছড়িয়ে পড়লে আপনাকে আর ব্যবসা নিয়ে ভাবতে হবে না।

চা, কফি ও স্যুপ

শীতের সময় গরম পানীয়র চাহিদা বেড়ে যায়। চাইলে নানা ধরনের চা, কয়েক রকম কফি ও থাই, ক্লিয়ার বা কর্ন স্যুপ সহজেই তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন। শীতের বিকাল বা সন্ধ্যায় লোক সমাগত হয়, এমন স্থানে এ রকম একটি মোবাইল ভ্যানে দোকান দিতে পারেন। এই ব্যবসা করতে ১ লাখ টাকার মতো লাগতে পারে।

হাঁসের ব্যবসা

আপনি যদি গ্রামে থাকেন আর আপনার বাড়ির পাশে যদি নদী বা বিল থাকে তাহলে এই ব্যবসা আপনার জন্য আদর্শ।  শীতের সময় হাঁসের মাংসের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। পাশাপাশি হাঁসের ডিম অনেকে পছন্দ করেন।  চাইলে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে হাঁস কিনে প্রতিপালন করে একটা নির্দিষ্ট সময় পর বিক্রি করে দিতে পারেন। তবে এ ব্যবসা করতে হলে হাঁস প্রতিপালন সম্পর্কে জানতে হবে।

মশার কয়েল

শীতে মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। এ সময় মানুষ মশার কয়েল ব্যবহার করেন। আপনিও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মশার কয়েল পাইকারি দামে কিনে শহরের বাইরের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করতে পারেন। এ ব্যবসার শুরুতে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা হলেই চলবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত