যুদ্ধ মানে ভয়
যুদ্ধে নিরঙ্কুশ জয় বলে কিছু নেই
যুদ্ধ মানেই অন্তর কাঁপানো ভয়ানক ভয়
যুদ্ধে পক্ষ-বিপক্ষ বলেও কোন কথা নেই
বিপরীতে দাঁড়ানো উভয় পক্ষই সমান ভয়ে ভীত
উভয়েই ভয়ানক নিরস্ত্র ও পরাজিত।
সূচক
সূর্য থাকলে তার ছায়া দেখে
এক মানুষের সাথে
অন্য মানুষের
ব্যবধান মাপা যায়
কিন্তু এখন যে ঘোর অন্ধকার
এখন গুজবই
একমাত্র গজব পরিমাপক।
এত এত নব্য শব্দরাজি
এত দুঃখ, ভয় ও এন্তার দুর্বলতা
এখান থেকে তোমার ধ্বনি কিংবা প্রতিধ্বনি
কিছুই আলাদা করতে পারছি না।
তোমার কাছ থেকে
এত দূরে ছিটকে পড়েছি যে
প্রবল এ অন্ধকারের অন্ত্র থেকে
এখন আর হাতড়ে হাতড়েও
বেরুতে পারছি না।
যে সব শব্দরা খামচে ধরেছে
আমাদের শ্রুতির আকাশ
নখের দূষণে দূষণে
পরিশ্রান্ত করেছে আমাদের
তার অধিকাংশই অচেনা মরুভূমের
বিদেশী অথবা শংকর।
কোথায় গেলে তুমি,
কী করে, কখন চলে গেলে!
কিন্তু পাপিষ্ঠদের কাছ থেকে
তোমাকে পৃথক করতেই হবে
না হলে যে আমাকেও আর
সনাক্ত করা যাবে না।।
ততবার
যতবার রক্তাক্ত হই
ততবার হই আমি কবি
আমার পাঠকের কাছে তাই
গচ্ছিত রেখে যাই
আমার রুধিরের সবই
চয়েস
ক্রন্দন,
তুই ভালবাসিস গোপন মানুষ ও
বেগুনী বিষের থালা
দুয়োকথা আর
বইয়ের ভেতরে চাপাপড়া পাপড়ি,
ক্লেদের সাবানে কেচে রাখা কষ্ট
আর যা যা কিছু
আমারই অন্তজ্বালা।
তবু কেন আমি পড়ি তোরই প্রেমে
বাঁধি দুই পা তোর রক্ত নূপ্ুের,
কাচের গুঁড়োর উপটনে মাজি
এই শ্যামল বরণ গা!
আমি বুঝতেই পারি না।।