১.
আকাশে আয়নাখানি, ঘোরে পড়ে মনে হয়
বিরাট রূপসী
নিচের ধারণাগুলি জড়ো হয়ে দোলে যত
আমিও তো দুলি
বাতাসের দিকে কেন তারা ঠেলে, কেন বা
আমিও গিয়ে এক কোণে বসি
তবু ভাসে, হাসে যেন, ঝলমল করে যেন
অগণিত চিন্তার কাঁচুলি
তবে মরো, খাদে পড়ো বাতাস আমাকে বলে
যাক মাথা ফেটে
এখানে সকলে ওড়ে, তুমি কেন এলে হেঁটে হেঁটে
২.
টোকা লেগে ঝরে গেল অমন তারার মেলা
নিশুতে বিশুতে
ডিঙিতে ভেবেছে ঢেউ দোলা দিয়ে উঠে পড়ি,
বাধা দিল জল
আকাশ হাতড়ে ভাবি এইবার তোমার দখল,
উঁচুতে ওঠালে নিয়ে, অতিশয় ভয় হলো ছুঁতে
তাহলে বিরাট কিছু, গুণে শেষ, কি বা তল
হিসাব কঠিন
উচিত নিদ্রার পর ভালো মনে চারপাশ দেখে
দু’চার সেলফি তোলা, তুমি কি না এমন রঙিন
পাহাড়-পর্বত গেল খসে পড়ে পৃথিবীর থেকে
৩.
বাহারে রাংতা যেন, রঙিনে এনেছে ধরে রামধনুটিকে
এসে কি থেমেছে তবে অপরূপ? তাকিয়েছে
একবার শুধু?
গড়ালো সাগরজল এরপর এদিকে সেদিকে
তাও মন ফাঁকা যেন, তটরেখা বরাবর ছুটে চলা ধু-ধু
তা তুমি কোথায় গেলে, কত দূরে,
বিকেলের হাওয়া?
সে কীসের ঘুরপাক? চলে তবে এসেছো অদ্ভুত?
এখানে উপরিতলে ছিটেফোঁটা এইটুকু পাওয়া?
তখন ওপরে ওড়ে, মাথায় পাখির বাসা,
মুঠোয় বিদ্যুৎ
৪.
দূরের কথাটি বুঝি শোনা যাবে, ভেতরের
দেখাও সম্ভব
এ সকল ভেবে যাবো কাজের বোঝাটি নিয়ে কাঁধে
রওনা হওয়ার কালে পেছনে থাকবে পড়ে
শত কলরব
হয়তো থামবো গিয়ে একেবারে চাঁদে
অথবা বিপদকালে গিরিচূড়া খোঁচা দেবে বুকে
আকাশে সমুদ্র উঠে ওলটাবে তরঙ্গ উচ্ছ্বাসে
তাও তো স্ফূর্তির প্রাণে মনে মনে টোকা দেবো
তোমার চিবুকে
টেরটি পাবে না কিছু কী ভূগোলে কী বা ইতিহাসে