সম্প্রতি অ্যামাজন প্রাইমে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত ভারতীয় চলচ্চিত্র পিপ্পা মুক্তি পেয়েছে। এতে প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক এ আর রহমান আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা ও সুর করা একটি গান ব্যবহার করেছেন নতুন সুরারোপ করে। ঘটনাটি তুলে এনেছে সৃজনশীলতার মৌলিক সূত্রগুলোর প্রাচীন তর্ক শিল্পসৃজন যিনি করবেন তার সততা, স্বাতন্ত্র্য ও স্বাধীনতার প্রসঙ্গ। এ নিয়ে লিখেছেন সাইম রানা ও সরোজ মোস্তফা
চেতনাদীপ্ত আহত মন
সাইম রানা
২০০৫ সালে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বখ্যাত কম্পোজার প্রফেসর মাৎসুসিতা ইসাও-এর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। বৌদ্ধ ধর্মগুরু ওয়াসেই হিরাই আমাকে তার বিভাগে নিয়ে গেলেন। কথা প্রসঙ্গে ইসাও আমাদের দেশের কম্পোজার সম্পর্কে জানতে চাইলেন। আমি বাংলাদেশের সংগীতকারদের মধ্যে থেকে কোনো নাম বলতে না পারলেও ভারতীয় উপমহাদেশের বিচারে এ আর রহমানের নাম বললাম। প্রত্যুত্তরে তিনি বললেন, ‘এ আর রহমানকে আমি চিনি, সিনেমার গানের জন্য তোমাদের ওখানে বেশ জনপ্রিয়। তবে তিনি কম্পোজার নন।’ আমার তখনো কম্পোজারের পদ্ধতিবিদ্যা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা জন্মেনি। সেই কারণে কোনো বিতর্কে না গিয়ে জানতে চাইলাম ‘তাহলে তাকে কী হিসেবে চিনতে পারি?
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
শিল্পীর নিষ্ঠা ও দায়
সরোজ মোস্তফা
কবিতা ও কবিজীবনটা কখনোই অনুকরণযোগ্য নয়। কবিতা মূলত আত্মার মোহর; জীবনবীক্ষণ, অনুভবের প্রাণপ্রাচুর্য। সংগোপনে-ধ্যানে-রক্তকণিকায় সৎ কবি কবিতাকে যাপন করেন এ যাপন দেখার নয়। নিজেকে নিজের মধ্যে রেখে মগ্ন নির্মাণের শান্তিকে, আত্মযাপনকে লিখতে পারার ক্ষমতাই কবিত্ব। এ-ও এক আত্মদীক্ষা; নিজেকে দেখার এ-ও এক শৈল্পিক সংযম। লালন ফকির বলেছেন, ‘আত্মতত্ত্ব যে জেনেছে/ দিব্যজ্ঞানী সে হয়েছে।’ সময়কে স্পর্শ করার স্থিরতা থেকে জন্ম হয় ‘আত্মতত্ত্ব’। আত্মতত্ত্বের অনুভব থাকলেই মানুষ ‘দিব্যজ্ঞানী’ হয়। ‘দিব্যজ্ঞান’ ছাড়া কেউ কবিতা যাপন করতে পারে না।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
