ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় অব্যাহত হামলা ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞের জন্য ইসরায়েলের সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করতে মুসলিম নেতাদের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি।
শনিবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত ইসলামিক ও আরব বিশ্বের সম্মেলনে এ আহ্বান জানায় দেশটি।
ভারতীয় বার্তাসংস্থা এনডিটিভি ও পাকিস্থানের গনমাধ্যম এরি নিউজে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে।
গত শনিবার ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হামলা বন্ধে উদ্যোগ নিতে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ইসলামিক ও আরব বিশ্বের সম্মেলনের আয়োজন করে আরব নেতারা। সেখানেই এ আহ্বান জানায় ইরান।
এছাড়া গাজায় ফিলিস্তিনিদের নির্বচারে হত্যাযজ্ঞের কারণে ইসরায়েলে তেল ও খাদ্যপণ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার আহ্বানও জানান ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি।
সম্মেলনে রাইসি বলেন, "ইসলামী দেশগুলোর উচিত দখলদার ও আগ্রাসী সরকারের সেনাবাহিনীকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করা।"
এ সময় তিনি আরব দেশগুলোকে ইসরায়েলের সাথে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে ইহুদিবাদী শাসকের বিরুদ্ধে বাণিজ্য বয়কটকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।"
ইরান–সৌদি আরব সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পর ২০১২ সালের পর রাইসিই প্রথম ইরানি প্রেসিডেন্ট যিনি সৌদি আরব সফর করলেন।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে অতর্কিত হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। সেই হামলায় প্রায় ১২০০ ইসরায়েলি নিহত হয় এবং প্রায় আড়াইশ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যায় হামাস।
হামাসের হামলার দিন থেকেই গাজায় প্রতিশোধমূলক বিমান ও স্থল আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। এ হামলায় এখন পর্যন্ত উপত্যকাটিতে ১১,০০০ এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই শিশু ও নারী।
