লাকি আক্তার ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে নিজ বাড়ি নেত্রকোণা সদরে ফিরছিলেন। তার সঙ্গে ছিল নিজের মেয়ে, ভাই ও ফুপাতো বোন। পথে ট্রাক-সিএনজিচালিত অটোরিকশা সংঘর্ষে তিনিসহ মোট তিনজন মারা গেছেন। দুর্ঘটনায় লাকি মারা গেলেও তার তিন বছরের মেয়ে হুমায়রা আক্তার বেঁচে আছে। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা সংকটাপন্ন।
সোমবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তারাকান্দার কাশিগঞ্জ বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, নেত্রকোনা সদরের লাকি আক্তার (৩০), তার ফুফাতো বোন সাকি আক্তার (২২) ও সিএনজিচালক মোস্তাকিম আহমেদ (৩৫)।
দুর্ঘটনায় আহত শাহীন খান বলেন, ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে বোনের চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরছিলাম। ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ মোড় থেকে সিএনজি নিয়ে নেত্রকোনার দিকে যাচ্ছিলাম। পথে কাশিগঞ্জ বাজার এলাকায় পৌঁছালে আমাদের সিএনজির সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে আমার বোন, ফুফাতো বোন ও সিএনজিচালক মারা গেছেন। আমার বোনের মেয়ের অবস্থাও ভালো নয়।’
তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী একটি সিএনজি নেত্রকোনার দিকে যাচ্ছিল। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কাশিগঞ্জ বাজার এলাকায় এলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজির দুই যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও তিনজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে সেখানে আরও একজনের মৃত্যু হয়। ট্রাক ও সিএনজি জব্দ করা হয়েছে। এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
