ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সলিমুল্লাহ মুসলিম হল থেকে অছাত্র ও বহিরাগতদের উচ্ছেদের উদ্যোগ নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল। মঙ্গলবার রাত থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়, যা এখনো চলছে। মঙ্গলবার রাতে অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপাচার্য নিজেই। এসময় হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল রউফ মামুনসহ হলের আবাসিক শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার দুপুর পর্যন্ত ছাত্রত্ব না থাকা ৬টি রুমে তালা দেওয়া হয়েছে বলে হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এই অভিযান অব্যহত থাকবে বলে দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছেন হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল রউফ।
জানা যায়, বারান্দায় ফাটল দেখা দেওয়ায় ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই হলে কোনো ছাত্রকে বরাদ্দ দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেই সময় হলের বারান্দায় থাকা সব শিক্ষার্থীকে রুম বরাদ্দ দিয়ে বারান্দা খালি করা হবে বলে জানিয়েছিলেন তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। তবে এখনো পর্যন্ত সেটি করা হয়নি। বারান্দায় এখনো অবস্থান করছেন অনেক শিক্ষার্থী। এছাড়া হলে অছাত্র ও বহিরাগতরা অনেকেই থাকছেন বলে জানা যায়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল দেশ রূপান্তরকে বলেন, হলটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার পরও বারান্দায় এখনো অনেকেই থাকছেন। এছাড়া আমি খবর পেয়েছি দীর্ঘদিন ধরে অছাত্র এবং বহিরাগতরা এই হলে থাকেন। আমি নিজেই উপস্থিত থেকে অভিযান চালিয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে বারান্দা খালি করা, অছাত্র ও বহিরাগতদের বের করার নির্দেশনা দিয়েছি। প্রভোস্ট সে অনুযায়ী কাজ করছেন।
প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল রউফ মামুন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘উপাচার্য স্যার নিজেই এসেছেন এবং নির্দেশনা দিয়েছেন বারান্দা খালি করার এবং যাদের ছাত্রত্ব শেষ তাদের বের করার। আমরা সে অনুযায়ী কাজ করছি। ইতিমধ্যে বারান্দা প্রায় খালি করা হয়েছে। কয়েকটি রুমে তালাও দেওয়া হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যহত থাকবে।’
