শীতে সুস্থ রাখুন শিশুকে

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২৩, ১২:১৯ পিএম

কমছে দিনের তাপমাত্রা। হেমন্তের এই সময়ে শিশুর আরও বেশি সুরক্ষার প্রয়োজন। না হলেই শরীরে হানা দিতে পারে অসুখ! জ্বর-সর্দির কারণে বেশ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে ছোট্ট সন্তানটি।

তাই তো আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে শিশুকে আগলে রাখা প্রয়োজন। শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে কয়েকটি ভিটামিন ও মিনারেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর এসব গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন-মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত সন্তানকে খাওয়ানো উচিত, যাতে সন্তানের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে উঠে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, বিশেষ কিছু ভিটামিন ও মিনারেল শিশুর শরীরে রোগ ​প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে সংক্রামক রোগে প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। সেই উপাদান গুলি হল - ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, সেলেনিয়াম, জিংক

চলুন জেনে নেই কোন কোন খাবার শিশুকে খাওয়াবেন।

ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে ভিটামিন এ খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই আপনার শিশুর নিয়মিত খাবারে এ ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার অবশ্যই রাখুন। তাকে নিয়মিত গাজর, কুমড়া, পাকা পেঁপে খাওয়াতে পারেন। সেই সঙ্গে ঘি ও মাখনও খাওয়াতে পারেন নিয়মিত।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার

শরীরে রোগ প্রতিরোধ মজবুত করে তুলতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারের জুড়ি মেলা ভার। এতে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীর ভালো রাখে, সেই সঙ্গে রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতাও বাড়ায়। এই উপকার পেতে শিশুকে খাওয়াতে হবে- কমলালেবু, মাল্টা, বাতাবিলেবু, ব্রকলি ইত্যাদি।

ভিটামিন ই ও ডি জরুরি

এই দুই ভিটামিনও আপনার শিশুর জন্যে খুব উপকারী। চীনাবাদাম, আখরোট, বাদাম, উদ্ভিজ্জ তেল, সয়াবিন, পালং শাক, বাঁধাকপি, ব্রকলি, মটরশুঁটি, লেবু, ডিমে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ই পাওয়া যায়। এ ছাড়া ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি মেটাবে দুধ, পনির, মাছ, সয়াবিন এবং সবুজ সবজি।

সেলেনিয়াম ও জিংক

যেসব মিনারেল শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে, সেই তালিকায় প্রথম সারিতেই রয়েছে সেলেনিয়াম ও জিংক। টুনা ফিশ, চিংড়ি, স্যামন মাছসহ অন্যান্য সামুদ্রিক খাবারে প্রচুর পরিমাণে সেলেনিয়াম পাওয়া যায়। এদিকে, ডিম, মাছ, মাংস, দুধ ও দুগ্ধজাত অন্যান্য খাবারে মেলে জিংকের মতো উপকারী মিনারেল।

শিশুকে নিয়মিত খাবারে এসব ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়ালে রোগ আক্রান্তের পরিমাণ অনেকাংশে কমে আসবে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত