ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রোষের মুখে ‘নিশ্চুপ’ পুতিন

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২৩, ০৫:২২ পিএম

ইউক্রেনে হামলা শুরু করার পর থেকে পশ্চিমা বিশ্বে একঘরে হয়ে পড়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের সমনের কারণে সহজে বিদেশেও যেতে পারছেন না তিনি। ফলে ইন্দোনেশিয়া ও ভারতে জি-২০ বৈঠকে রাশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ।

যদিও গতকাল বুধবার জি-২০ গোষ্ঠীর ভার্চুয়াল শীর্ষ বৈঠকে যোগ দেন পুতিন। এ সময় একাধিক বিশ্বনেতার রোষের মুখে পড়লেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস বলেন, পুতিনকে ইউক্রেনে হামলা বন্ধ করতে হবে। প্রত্যাহার করতে হবে সব রুশ সৈন্য। যুদ্ধ শেষ করার ওপর জোর দেন তিনি। বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে শলৎস বলেন, একাধিক জি-২০ নেতা পুতিনকে একই বার্তা দিয়েছেন বা পুতিনকে সে সব কথা শুনতে হয়েছে।

বার্লিন সফররত ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলোনি শলৎসের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, মস্কো ত্যাগ করতে না হওয়ায় পুতিনের পক্ষে এই সম্মেলনে যোগ দেওয়া সহজ হয়েছে। এটা ভুলে গেলে চলবে না ইউক্রেন সংকটে এক পক্ষ হামলাকারী এবং অন্য পক্ষ আক্রান্ত হয়েছে।

অপরদিকে রাশিয়াও জি-২০ বৈঠক সম্পর্কে বিবৃতি দিয়েছে। পুতিন বলেন, যুদ্ধ সব সময় ট্র্যাজিডি বহন করে আনে। তার দাবি, রাশিয়া কখনো শান্তি আলোচনার পথ বন্ধ করেনি। ইউক্রেনই অনড় অবস্থান দেখিয়ে চলেছে। খবর ডয়চে ভেলে ও রেডিও ফ্রি ইউরোপের।

তিনি ২০২৪ সালে কিয়েভে ইউরোপপন্থি বিক্ষোভকে ‘রক্তাক্ত অভ্যুত্থান’ হিসেবে বর্ণনা করে সেই ঘটনাকে বর্তমান সংকটের জন্য দায়ী করেন। এছাড়াও বর্তমানে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক সমস্যা ও বেড়ে চলা মূল্যস্ফীতির জন্য পশ্চিমা বিশ্বকে দায়ী করেন পুতিন। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করে সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে কি না তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি রুশ প্রেসিডেন্ট।

উল্লেখ্য, লোকচক্ষুর আড়ালে অনুষ্ঠিত এই ভার্চুয়াল বৈঠক সম্পর্কে জানতে এতে অংশ নেওয়া নেতাদের বিবৃতির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত