কুয়াকাটায় শিশুদের ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০২৩, ০৫:২৫ এএম

আবহাওয়া পরিবর্তন হওয়ায় পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ঠা-াজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই শিশু। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এই সিজনে এটি স্বাভাবিক।

ছয় থেকে সাত দিন ধরে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার নবীনপুর এলাকার বাসিন্দা জুনায়েদের শিশুসন্তান ইমাম আবদুল্লাহ (৭ মাস) ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত। আবদুল্লাহ জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভুগছিল। শুরুতে বাড়ির পাশের ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে আবদুল্লাহকে খাওয়ানো হয়। তবে এতে কোনো উন্নতি হয়নি। পরে কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।

অসুস্থ শিশু আবদুল্লাহর নানি ফাতিমা বেগম বলেন, ‘কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। আবদুল্লাহ আমাদের মেয়ের প্রথম সন্তান ও প্রথম নাতি। নাতির দিকে তাকানো যাচ্ছে না। নাতিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠান। বর্তমানে তাকে পমেক হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে।’

কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা মহিপুর এলাকার বাসিন্দা শাকিল আহমেদের শিশুসন্তান ৯ মাস বয়সী সায়েম। ঠা-াজনিত রোগে সেও আক্রান্ত।

শাকিল বলেন, ‘শিশু ওয়ার্ডের অবস্থা খুব খারাপ। আবার হাসপাতালে চিকিৎসকও খুব অল্প। এর চেয়ে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাব ভাবছি।’

কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চিন্ময় হাওলাদার বলেন, এই শীতে নিউমোনিয়া, হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগী বেশি আসছে। বয়স্কদের তুলনায় শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি। এসব রোগ এড়িয়ে চলতে সব সময় মাস্ক পরতে হবে। এ ছাড়া শিশুদের শীতের পোশাক পরিয়ে রাখার পরামর্শ দেন তিনি। আর কোনো লক্ষণ দেখা দিলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে বলছেন এই চিকিৎসক।

গত মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঠা-াজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। আর গত এক সপ্তাহে ভর্তি হয়েছে ১৫ জন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত