নিউজিল্যান্ডে নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েই অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের ঘোষণা দিয়েছে। এটি করতে গিয়ে সরকারের আয় বৃদ্ধির পদক্ষেপ হিসেবে ধূমপানে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হচ্ছে। অথচ ২০২২ সালে তরুণ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতের জন্য ধূমপান নিষিদ্ধের আইন করেছিল নিউজিল্যান্ড। কিন্তু কর আদায়ের জন্য এখন জনস্বাস্থ্যকেই জলাঞ্জলি দেওয়ার পথে হাঁটল দেশটির নতুন সরকার। তাই সমালোচনায় সরব সচেতন মহল।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় ধূমপান নিষিদ্ধের পদক্ষেপ নেয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্নের সরকার। পাস করা হয় গুরুত্বপূর্ণ ধূমপান নিষিদ্ধ আইন। এ আইনে ২০২৪ সাল থেকে ১৬ বছরের নিচে বয়স এমন কারো কাছে সিগারেট বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়। সে সময় আইনটি পাস করায় অনেকেই জেসিন্ডা সরকারের প্রশংসা করেছিলেন।
কিন্তু সদ্য ক্ষমতায় আসা নিউজিল্যান্ডের পপুলিস্ট নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টি নেতৃত্বাধীন সরকার আইনটি বাতিল করেছে। সরকারের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। ইউনিভার্সিটি অব ওতাগোর তামাক নিয়ন্ত্রণ গবেষক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক রিচার্ড এডওয়ার্ডস বলেন, ‘সরকারের এমন উল্টো পদক্ষেপে আমরা হতবাক এবং একই সঙ্গে বিরক্তও।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের বেশিরভাগ স্বাস্থ্য সংস্থা সরকারের এমন কাণ্ডে হতবাক। সেই সঙ্গে এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে তারা।
