গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে হামাসের হাতে আটক থাই জিম্মিদের মুক্তির কথা ছিল না। কিন্তু শুরুতেই থাই জিম্মিদের ছেড়ে দেয় হামাস। কারণ ইসরায়েল এবং পশ্চিমারা থাইদের মুক্তি দাবিই করেনি। অথচ হামাস কেন তাদের ছেড়ে দিল?
এ প্রশ্নের উত্তর তুলে ধরে বিবিসি জানিয়েছে, থাই জিম্মিদের মুক্তি দিতে হামাসের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে থাইল্যান্ডের একটি মুসলিম গোষ্ঠী লারপং। ওই এই গোষ্ঠীটি হামাসের কাছে বন্দী থাইল্যান্ডের নাগরিকদের মুক্তির জন্য সরাসরি আবেদন জানালে কোন বিনিময় ছাড়াই এখন পর্যন্ত ১৯ থাই নাগরিক মুক্তি পেয়েছে।
লারপং এর প্রতিনিধিদল অক্টোবরে তেহরানে গিয়ে হামাসের প্রতিনিধির সাথে সরাসরি আলোচনা করেছিল। লারপং এর পক্ষ থেকে বলা হয়, "থাইল্যান্ড যদি শুধুমাত্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপর নির্ভর করে বা অন্য দেশের সাহায্যের আশা করে থাকে, তাহলে বন্দী মুক্তির প্রক্রিয়া অনেক ধীর হতো।"
গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের অভিযানের সময় এই থাই নাগরিকরাও আটক হন। তাদের হাতে আরও ১৩ জন থাই নাগরিক বন্দী আছেন। তারা প্রধানত শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে ইসরায়েল গিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, ইসরাইল-হামাস যুদ্ধের আগে প্রায় ৩০ হাজার থাই শ্রমিক ইসরাইলের কৃষি খাতে কর্মরত ছিলেন। ইসরাইলে বিদেশী শ্রমিকদের মধ্যে থাইদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। ওই ঘটনার পর প্রায় ৯ হাজার শ্রমিক থাইল্যান্ডে ফিরে গেছে।
