দক্ষ জনশক্তি তৈরিই প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির লক্ষ্য

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:১২ এএম

দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি বিষয়ের সিলেবাস কর্মবাজারে চাহিদার সঙ্গে সমন্বিত করে ডিজাইন করা হয়েছে। সিলেবাস প্রণয়নের সময় সিলেবাস প্রণয়ন কমিটিতে ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্ট অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

জানা যায়, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে ১১টি প্রোগ্রাম রয়েছে। এর মধ্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিবিএ প্রোগ্রামের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। আধুনিক কারিকুলাম, যোগ্য শিক্ষকমন্ডলী, শক্তিশালী অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক, আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন ল্যাব, ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পাঠ্যক্রম, এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাকটিভিটিস এ বিষয়গুলো মূলত বেশি জনপ্রিয় করে তুলেছে।

ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যোগাযোগ ও অংশীদারত্ব : প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম, যৌথ ওয়ার্কশপ, ইন্ডাস্ট্রি ভিজিট, গেস্ট লেকচার ইত্যাদির মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলছে। তাছাড়া প্রতিবছর ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া সামিট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। ফ্লেক্সিবিলিটি ও অ্যাডাপটিবিলিটি : প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর কারিকুলাম আপডেট করে থাকে এবং প্রযুক্তির সাম্প্রতিক ধারাগুলোকে আত্মস্থ করে নেয়। ফলে যুগোপযোগী এবং ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা অনুযায়ী জনশক্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সার্ভিস : বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু করেছে অফিস অব দ্য স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ক্যারিয়ার সার্ভিস। এ অফিস থেকে নিয়মিতভাবে ছাত্রছাত্রীদের ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেবাসহ সিভি রাইটিং, ইন্টারভিউ টেকনিক, জব মার্কেট ট্রেন্ড সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়ে থাকে। এসব প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমাদের ছাত্রছাত্রীরা করপোরেট নেটওয়ার্কিং গড়ে তোলার সুযোগ পেয়ে থাকে।

কেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি : কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, বিগ ডেটা, রোবোটিকস, জেনেটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং প্রযুক্তির নানা দিকে নানাবিধ উদ্ভাবন আমাদের অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করেছে। তাই নতুন যুগের নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে চাই যুগোপযোগী শিক্ষা। প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি এ যুগোপযোগী শিক্ষারই নিশ্চয়তা বিধান করছে।

আধুনিক ল্যাব সুবিধা : আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি গড়ে তুলেছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ল্যাবরেটরি সুবিধা। সর্বাধুনিক হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে ল্যাবগুলোকে এমনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে, যেন ছাত্রছাত্রীরা সর্বশেষ প্রযুক্তিগত সুবিধা নিয়ে নিজ নিজ বিষয়ে সর্বাধিক দক্ষতা অর্জন করতে পারে।

দক্ষ ও মানসম্পন্ন শিক্ষকম-লী : প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির মূল চালিকাশক্তি হলো বিভিন্ন বিভাগের যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকম-লী। প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে যে শিক্ষকরা কর্মরত আছেন, তারা শুধু যোগ্যতার দিক দিয়েই অগ্রগামী নন, বরং তারা প্রত্যেকেই কাজের প্রতি অত্যন্ত অনুরাগী।

গবেষণার সুযোগ : গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা ও সমন্বয়ের জন্য প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সেন্টার নামে স্বতন্ত্র ইউনিট রয়েছে। এ সেন্টারের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন রিসার্চ প্রজেক্টে কাজ করতে পারে এবং দেশি-বিদেশি জার্নালে তাদের গবেষণাপত্র প্রকাশ করতে পারে।

স্কলারশিপ : মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি ৫০-১০০ শতাংশ পর্যন্ত স্কলারশিপ সুবিধা দিচ্ছে। তাছাড়া দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষ ফাইন্যান্সিয়াল সুবিধা রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত