মাত্র ৩০ সেকেন্ডের একটি টিজার, যেখানে দেখা যাচ্ছে অভিনেতা অপূর্ব নৌকায় ভাসছেন উত্তাল সমুদ্রে! এই নৌকা ওপরে উঠে যাচ্ছে, আবার নামছে মনে হবে যে কোনো সময় ডুবে যেতে পারে। রোমাঞ্চকর একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন নিজের থ্রেডস অ্যাকাউন্টে। মনে হচ্ছে, সাত সমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে রাজকন্যার কাছে ছুটলেন অপূর্ব।
নেপথ্যে সংলাপ শোনা যাচ্ছে ‘কিছু কিছু সম্পর্ক উত্তাল সমুদ্রের মতো। দিকহীন। কূল নেই কিনারা নেই। তবুও ভালোবাসার গন্তব্যে আমরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু কখনও কখনও হয়ে যায় দেরি।’
এই ভিডিওটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রকাশের পর সেটি পলকেই ভাইরাল হয়ে যায়। ফেসবুকে বিভিন্ন নাটকের গ্রুপ আর ব্যক্তিগত দেয়ালে শেয়ার হতে থাকে। সঙ্গে প্রশংসায় ভাসতে থাকেন অপূর্ব ও সংশ্লিষ্টরা। বেশিরভাগ দর্শকই মনে করছেন, বছর শেষে অপূর্বর বড় কামব্যাক হচ্ছে এই নাটকটির মাধ্যমে। যার প্রতিচ্ছবি মিলছে এই টিজারে।
জানা গেছে, এটি সিএমভি’র ব্যানারে ‘ক্লোজআপ রোম্যান্টিক ড্রামা ফেস্টিভ্যাল’-এর ‘পথে হলো দেরী’ নাটকের টিজার। চিত্রনাট্য ও নির্মাণ করেছেন জাকারিয়া সৌখিন। অভিনয় করেছেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, তটিনী, মনোজ প্রামাণিক, সালহা খানম নাদিয়া প্রমুখ।
অপূর্ব বললেন, ‘দর্শকদের এমন সাড়া পেলে সব কষ্ট ভুলে যাই। মনে হয়, আমাদের পরিশ্রমটা কাজে লেগেছে।’
এরপর স্মৃতি কাতর অভিনেতা বলেন, ‘টিজারে যে দৃশ্যটি দেখছেন সেটা কক্সবাজার থেকে অনেক ভেতরে, টেকনাফের কাছাকাছি গভীর সমুদ্রে। এখানে শুটিং করতে যাওয়ার সময় আমাদের নৌকা আটকে যায় বালিতে। এরপর টানা ৬ ঘণ্টা পুরো ইউনিট অপেক্ষা করেছি জোয়ারের জন্য। জোয়ার আসার পর আমাদের নৌকা সচল হয়। এই শ্রম বা ডেডিকেশনগুলো সার্থক হয় দর্শকদের এমন সাড়া পেলে।’
অপূর্ব চলতি বছর কাজের পরিমাণ একেবারেই কমিয়ে দিয়েছেন। এরমধ্যে ‘পথে হলো দেরী’ তার কাছে অন্যতম সেরা কাজ হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন।
এদিকে নির্মাতা জাকারিয়া সৌখিন বলেন, ‘আমি আসলে বড় ক্যানভাস ধরার চেষ্টা করেছি। আমার এই চেষ্টার সঙ্গে শতভাগ একাত্ম ছিলো অপূর্ব, তটিনী, সিনেমাটোগ্রাফার নাজমুল হাসানসহ ইউনিটের প্রত্যেকে। অন্যদিকে প্রযোজক পাপ্পু ভাইয়ের দিক থেকেও ছিলো সর্বোচ্চ স্বাধীনতা। সব মিলিয়ে পুরো ইউনিট মিলে অসম্ভব কষ্ট করে এই কাজটি করেছি। সেই টিম ওয়ার্কের ফল পাচ্ছি টিজার প্রকাশের পর থেকে। আশা করছি, পুরো নাটকটি দেখলে দর্শকদের কাছ থেকে আরও সাড়া পাবো।’
