নারী লিগে খেলবে না হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন কিংস

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৫:৪০ পিএম

বৃহস্পতিবার ছিল নারী ফুটবল লিগে অংশগ্রহনেচ্ছু ক্লাবগুলোর নিবন্ধনের শেষ দিন। এটি বর্ধিত তারিখ। তবে শেষ দিনেও ক্লাব লাইসেন্সিং করেনি শেষ তিনবারের চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস। শুক্রবার সামনের লিগে না খেলার কথা নিশ্চিত করেন কিংস সভাপতি ইমরুল হাসান। কিংসের সরে দাঁড়ানোর ফলে নারী লিগ আয়োজন যেমন শঙ্কায় পরে গেলো, তেমনই এতদিন কিংসে খেলা শীর্ষ সারির খেলোয়াড়দের সম্মানজনক চুক্তি নিয়েও সামনে দেখা দিবে অনিশ্চয়তা।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এখনও নারী লিগকে একটা শক্ত ভিত্তি দিতে পারেনি। তারপরও শেষ তিনটি লিগে বসুন্ধরা কিংস অংশ নিয়ে শিরোপা জয়ের পাশাপাশি জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করা একঝাঁক নারী ফুটবলারকে দিয়েছিল সম্মানজনক বেতন। শীর্ষ ক্লাবগুলো অনেক আগে থেকেই বাফুফের এই নামকোয়াস্তে লিগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। একমাত্র সম্বল হয়ে ছিল কিংস। তবে এবার সেটাও থাকলো না। না থাকার শলুক সন্ধান করতে গিয়ে জানা গেছে মূলত তিনটি কারণে কিংসের সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত।

গত তিন লিগে কিংসকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মত কোন দল ছিল না। বাফুফের সহ-সভাপতি আতাউর রহমান ভুঁইয়া মানিকের মালিকানাধীন আতাউর রহিমান ভুঁইয়া মানিক কলেজ এফসি বাফুফের আবাসিক ক্যাম্পের ফুটবলারদের নিয়ে দল গড়ে রানার্স-আপ হয়।

 তবে বাফুফের বিপক্ষে অভিযোগ আছে, তাদের আবাসিক ক্যাম্প সেই দলটিকে ব্যবহারের সুযোগ দেয় এবং বাফুফের বেতনভূক্ত কোচরাই সেই দল পরিচালনা করেন। কিংস যেটা ভালোভাবে নেয়নি।

দ্বিতীয়ত জানা গেছে সাফ জিতে আসার পর এত দিন কিংসে খেলা জাতীয় দলের বেশ কজন সিনিয়র খেলোয়াড় কিংসের কাছে বিশাল অঙ্কের চুক্তি দাবী করেছেন। দাবীকৃত অঙ্কটা কারো কারো ক্ষেত্রে ২০ লাখ টাকা, যা গতবারের চুক্তির প্রায় তিনগুণ। এত টাকায় মেয়েদের সঙ্গে চুক্তি করে একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন লিগ খেলতে চায় না কিংস।

কিংসের সরে যাওয়ার আরেকটি বড় কারণ আবাহনী, মোহামেডান, শেখ জামাল, শেখ রাসেলের মতো শীর্ষ ক্লাবগুলোর নারী ফুটবলে অনীহা। কোন চ্যালেঞ্জ ছাড়া হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আসলে আগ্রহটাই দমে গেছে কিংসের।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত