শ্রীপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর তিন নারী কর্মীকে মারধর, প্রচারণায় বাধা

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:২১ এএম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৩ আসনের (শ্রীপুর ও গাজীপুর সদরের আংশিক) স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজের কর্মীরা মারধরের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে নির্বাচনী এলাকার বরমী ইউনিয়নের বড়নল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী অধ্যাপিকা রুমানা আলী টুসির কর্মীরাই এ হামলা চালিয়েছে।

হামলায় আহতরা হলেন- আবদুল মালেক গাজী, মাসুদা বেগম, সুমি আক্তার ও সালমা আক্তার। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পরে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মালেক গাজী বেশ কিছু নারী কর্মী নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় তারা ট্রাক প্রতীকের লিফলেট দিয়ে ভোট চান। একপর্যায়ে বড়নল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছালে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সক্রিয় কর্মী আবদুল বাতেন কয়েকজন সহযোগী নিয়ে তাদের বাধা দেয়। বাগবিতণ্ডায় জড়ালে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের মারধর করে আবুল বাতেন।

শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাহাবুব হাসান বলেন, শান্তিপূর্ণ প্রচারকাজে নৌকার সর্মথকরা আমাদের কর্মীদের মারধর করেছে। প্রচারে বাধা দিয়েছে। আহত আবদুল মালেক গাজী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তাকে রড দিয়ে বেদম পেটানো হয়েছে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রচার প্রচারণা না চালাতে হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আবদুল বাতেনের মোবাইলে ফোন করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন বন্ধ রাখায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শ্রীপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। দুই পক্ষের মধ্যে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছে। মারামারি কোনো ঘটনা ঘটেনি।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন বলেন, খবর পেয়ে সেখানে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত