প্রিন্স মাহমুদ যখন ‘দেবী’ অ্যালবামের পর ক্লোজআপ ওয়ানের প্রোজেক্টে চলে গেলেন। নব্বইয়ের শেষের দিক, শূন্য দশকের গোড়ার দিকে একেবারে মাতিয়ে রেখেছিলেন। মেহেদি রাঙানো হাত, পিয়ানো, এখনো দু চোখে বন্যা, শেষ দেখা, দহন, যন্ত্রণা, দেশে ভালোবাসা নাই, সারেগামা... একের পর এক হিট। ২০০৬ সালে ‘দেবী’ অ্যালবাম করেই ফুলস্টপ দিলেন। দেবী অ্যালবাম ক্যাসেট ও সিডি থেকে উঠে গেছে এফএম রেডিওতে... রেডিওতে বেজে যায় যদি হিমালয় হয়ে...
২০০৬ সালেই শুরু করলেন ক্লোজআপ ওয়ান প্রোজেক্ট। রুমি, রিংকু, মাহাদি। ২০০৭ সালে থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নম্বরে লিমনের জেলখানার চিঠি, এরপরে ভুবন ডাঙার হাসি কিংবা তপু ন্যান্সি এলিটার কণ্ঠে এসেছে প্রিন্সের সুর। কিন্তু একটা শ্রেণি তৃষ্ণার্ত ছিলই। ২০২৩ সালে এসে প্রিন্স মাহমুদ তৃপ্ত করলেন তার নব্বই দশকের শ্রোতাদের। প্রিয়তমা সিনেমায় করলেন ‘ঈশ্বর’। সোমেশ্বর অলির দুর্দান্ত লেখার সঙ্গে সেই হারানো সুর... কী দারুণ... ‘ঈশ্বর কি তোমার আমার মিলন লিখতে পারত না...’ এর মাধ্যমেই একই সঙ্গে প্রিন্স মাহমুদের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের পরিচয় ঘটল।
