নির্বাচনী জোয়ারে বিএনপির নেতাকর্মীরাও শামিল হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:১৫ এএম

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সারা দেশে নির্বাচনের জোয়ার তৈরি হয়েছে এবং বিএনপির নেতাকর্মীরাও এতে শামিল হয়েছে। বিএনপির অনেক নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা এই নির্বাচনে ভোট দিতে যাবে এবং তারা নৌকা মার্কায় ভোট দেবে।

তিনি বলেন, 'নির্বাচন বানচাল করার জন্য এখন ঢাকা-চট্টগ্রাম শহরে লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। কিন্তু এই লিফলেট কেউ দেখেও না, কেউ পড়েও  না। এবং বিএনপির নেতা যারা লিফলেট বিতরণ করে, তারা হঠাৎ বিতরণ করে আবার হারিয়ে যায়। লিফলেট বিতরণকারীরা এখন ভয়ে আছে, জনগণ কখন তাদের ধাওয়া করে।'

রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম-৭ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মন্ত্রী হাছান মাহমুদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের রামগতিরহাটে নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন। 

হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি-জামাত আগুন সন্ত্রাস করে, পেট্রোল বোমা মেরে, রেললাইন উপড়ে ফেলে নির্বাচনকে ভন্ডুল করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল, সেটি তারা করতে পারেনি। এখন চেষ্টা করছে কোনো কোনো প্রার্থীর ওপর হামলা চালিয়ে যাতে নির্বাচন ব্যাহত হয়। সেটিও কখনো সফল হবে না।'

তিনি বলেন, 'অগ্নিসন্ত্রাস চালিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করতে ব্যর্থ হয়ে এখন বিএনপি চেষ্টা করছে প্রার্থীদের উপর হামলা পরিচালনা করার। কিন্তু সেটিতেও তারা ব্যর্থ হবে। কারণ জনগণ তাদের সাথে নাই। এই অপরাজনীতিতে জনগণ কখনো সাড়া দেয়নি, দেবেও না।'

নির্বাচনকে ঘিরে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র আছে উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, 'বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, সেই কারণে ষড়যন্ত্রকারীরা আজকে গর্তের মধ্যে ঢুকে গেছে। বিএনপি গর্তের মধ্যে থেকে মাঝে মাঝে উঁকি দিয়ে প্রেস ব্রিফিং করে। ডক্টর মঈন খানসহ কয়েকজন কথা বলেন। বিএনপি কোথায় গেল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এখন সমগ্র বাংলাদেশে এই পরিস্থিতি। আমি জিজ্ঞেস করলাম বিএনপি নেতারা কই? কেউ কেউ বলল, তারা লুকিয়ে গেছে, কেউ চিকিৎসা করার জন্য ইন্ডিয়া গেছে। এই হচ্ছে এদের পরিস্থিতি।'

নিজ নির্বাচনী এলাকার জনতার উদ্দেশ্যে হাছান মাহমুদ বলেন, গত ১৫ বছর ধরে আমি রাঙ্গুনিয়ার জনগণের পাশে থাকার এবং এলাকার উন্নয়ন করার জন্য চেষ্টা করেছি। যারা ভোট আসলে লম্বা লম্বা কথা বলেন, তাদের জিজ্ঞাসা করতে হবে, আওয়ামী লীগ সরকারের করা রাস্তাঘাটে যেসব গর্ত হয়, তারা সেইগুলো ভরাট করতে পারবে কি না। তাদের গর্ত ভরাট করার সামর্থ নেই। প্রতিটি মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা ৫ থেকে ৭ বার করে বরাদ্দ পেয়েছে। দেশের দশ কোটির বেশি মানুষ ১৮ ধরণের ভাতা পাচ্ছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত