পাঁচ দিনেও জ্ঞান ফেরেনি শিশু আয়ানের। তার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। গত ৩১ ডিসেম্বর সুন্নতে খৎনার জন্য তাকে রাজধানীর বাড্ডার ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় নেওয়া হয় গুলশান ইউনাইটেড হাসপাতালে। সেখানে তাকে রাখা হয়েছে লাইফ সাপোর্টে।
আয়ানের পরিবারের দাবি, সুন্নতে খৎনা করাতে এসে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার শিকার হয়েছে শিশু আয়ান। এখন সে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।
শিশু আয়ানের বাবা শামীম আহমেদ জানিয়েছেন, আজও আয়ানের জ্ঞান ফেরেনি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কোনো ডিক্লেয়ারেশন দেওয়া হয়নি। ঘটনার পর থেকেই তাকে ফুল ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।
ইউনাইটেড হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা আরিফুল হক জানিয়েছেন, শিশু আয়ানের চিকিৎসা জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড গতকাল তার পরিবারকে দুইবার ব্রিফ করেছেন। এ সময় তার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে।
আয়ানের দাদা ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম কবির দেশ রূপান্তরকে বলেন, শামীমের দুই সন্তানের মধ্যে আয়ান বড়। তার খতনার জন্য ৩০ ডিসেম্বর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা সব ঠিক দেখে ৩১ ডিসেম্বর নিয়ে যেতে বলেন। এরপর সময় মতো তারা ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। আয়ানকে খতনার জন্য অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার অনেক সময় পার হলেও আয়ানের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় তারা চিন্তিত হয়ে পড়েন। পরে আয়ানের বাবা শামীম অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে যান। সেখানে গিয়ে দেখতে পান, তার ছেলের নাকে-মুখে নল লাগিয়ে শ্বাস দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।
তখন চিকিৎসকরা জানান, ফুল অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগের জন্য এ অবস্থা। পরে আয়ানকে মুমূর্ষু অবস্থায় গুলশানে ইউনাইটেড হাসপাতালে আনা হয়।
শিশু আয়ানের অবস্থা এখনো ‘সংকটাপন্ন’
শিশু আয়ানের অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন