এ কে আজাদের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ভোলা মাস্টারকে কুপিয়ে জখম

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০২৪, ০৮:০৩ পিএম

ফরিদপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঈগল প্রতীক) আব্দুল কাদের আজাদের (এ কে আজাদ) প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও ফরিদপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল হক ভোলা মাস্টারকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।

আজ শনিবার (০৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে শহরের চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের আলম মোল্লার ডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মোর্শেদ আলম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে আজাদ ভোলা মাস্টারকে দেখতে হাসপাতালে যান।

জানা গেছে, শনিবার বিকেলে ভোলা মাস্টার নির্বাচনী কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের আলম মোল্লার ডাঙ্গী এলাকায় নৌকার প্রার্থী শামীম হকের কর্মী-সমর্থকরা ভোলা মাস্টারকে ধাওয়া করে হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি মারধরের একপর্যায়ে তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ঘটনায় আরও ৬-৭ জন আহত হয়।

চিকিৎসকরা জানান, ভোলা মাস্টারের মাথার মাঝখানে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে চারটি সেলাই লেগেছে। এ ছাড়া তার দুই চোখের মাঝখানে আঘাত লেগেছে। আহত ভোলা মাস্টারের মাথার ভেতরের অবস্থা দেখার জন্য সিটিস্ক্যান করতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে ভোলা মাস্টারের ওপর হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেলে এসে হামলাকারীরা ‘ধর ধর’ বলে ভোলা মাস্টারের ওপর হামলা চালায়। এসময় তিনি দৌড় দিলে তাকে ঘিরে ফেলা হয়। পরে মারধর করা হয়।

ঈগল প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক শোয়েবুল বলেন, আমাদের নির্বাচন বানচাল করতে ভোলা মাস্টারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় নৌকার কর্মী-সমর্থকরা। তিনি আরও জানান, স্থানীয় সন্ত্রাসী পলাশের নেতৃত্বে ভোলা মাস্টারের ওপর হামলা চালানো হয়। পলাশ চরমাধবদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

আহত ভোলা মাস্টারকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে আজাদ বলেন, এ হামলা খুবই ন্যাক্কারজনক। আমরা প্রশাসনের কাছে বারবার নিরাপত্তা চেয়েও পাচ্ছি না। তারা যেখানে সেখানে আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করছে। আমি ডিসির কাছে গিয়ে সহিংসতা ঘটানোর দায়ে শামীম হকের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আবেদন করব। এরপরে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেব। ফরিদপুরে নির্বাচনের পরিবেশ অলরেডি অশান্ত হয়ে গেছে।

ফরিদপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত