চমেকের স্টোর থেকে দামি ওষুধ চুরি করেন নার্সরা, প্রমাণ পেয়েছে দুদক

আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২৪, ০৬:০৩ পিএম

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক অভিযানে গিয়ে সরকারি ওষুধ চুরির প্রমাণ পেয়েছে বলে দাবি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম সমন্বিত কার্যালয়ের মেট্রো অঞ্চলের একটি দল।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে হটলাইনে অভিযোগ পেয়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন দুদক সমন্বিত কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক এনামুল হকের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের টিম।

এনামুল হক জানান, হটলাইনে কিছু নার্স কর্তৃক ওষুধ চুরির অভিযোগ পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ছদ্মবেশে তারা চমেক হাসপাতালে অভিযান চালান। এ সময় তারা দেখতে পান- চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রে উল্লেখ না থাকলেও ওয়ার্ড রেজিস্ট্রার খাতায় দামি ওষুধের নাম লিখে স্টোর থেকে ওষুধ তুলে নার্স কর্তৃক গায়েব করা হচ্ছে।

দুদকের এই কর্মকর্তা জানান, চমেকের জরুরি বিভাগে অভিযানে গিয়ে তারা দেখেন- রোগীকে ওষুধ না দিলেও তা লেখা রয়েছে নার্সের কাছে থাকা রেজিস্ট্রার খাতায়। ভুয়া রোগীর ভর্তি দেখিয়ে দামি ওষুধ স্টোর থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন নার্সরা। একই রকম অনিয়ম ধরা পড়ে হাসপাতালে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডেও। এই ওয়ার্ডের নার্স ইনচার্জ মিনতি বড়ুয়া ও সিনিয়র স্টাফ নার্স ফাতেমা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক কর্মকর্তারা। কিন্তু এ বিষয়ে দুদক কর্মকর্তাদের কাছে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি মিনতি ও ফাতেমা। অভিযান চলাকালে চমেক হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির দুদক টিমের সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।

দুদক কর্মকর্তা এনামুল হক দেশ রূপান্তরকে জানান, অভিযানে গিয়ে ওষুধ নিয়ে অনিয়ম ধরা পড়ার বিষয়টি চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসানকে অবহিত করেছি।

এদিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ওষুধ চুরির সঙ্গে জড়িত নার্সদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত