গত সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন চাকরি জীবনে কূটনৈতিক হিসেবে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন। এতে ২০১৮ সালে বড় ভাই আবুল মাল আবদুল মুহিতের ছেড়ে দেওয়া সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েই সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছিলেন তিনি। এর পর পাঁচ বছরে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে সরকারকে চাপে ফেলেছেন মোমেন।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করে বেশ চাপেও পড়েছিলেন। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনকালে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের সম্পর্ক উন্নয়নে আশানুরূপ সফলতা দেখাতে ব্যর্থ হন এ মন্ত্রণালয়ের দুই মন্ত্রীই। ভবিষ্যতে ঝুট-ঝামেলার সম্ভাবনায় আরও একটু দক্ষ মন্ত্রী দেওয়া হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রণালয়ে। পুরনো মন্ত্রীদের বাদ পড়ার কারণ নিয়ে বুধ ও বৃহস্পতিবার সারা দিন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একজন বলেন, গত আমলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী থাকার পরও প্রধানমন্ত্রীকে চাপ নিতে হয়েছে, এটাও মোমেনের বাদ পড়ার কারণ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বাদ পড়ার পেছনে প্রতিবেশী একটি দেশের ভূমিকা আছে বলে জানা গেছে।
স্বাস্থ্যখাতের নানা অনিয়ম কাল হয়েছে জাহিদ মালেকের