ইস্টার দ্বীপের মোয়াই পাথর

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৮ এএম

রোমাঞ্চকর অভিযাত্রার দুনিয়ায় চিলির ইস্টার দ্বীপ আলোচিত নাম। ইস্টার দ্বীপে প্রায় এক হাজার দণ্ডায়মান মূর্তি আছে। দ্বীপটি তার প্রায় ১,০০০টি বিদ্যমান স্মারক মূর্তিগুলোর জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত, যার নাম মোয়াই, যা প্রথম দিকের রাপা নুই সম্প্রদায়ের লোকেরা তৈরি করেছিল। ১৯৯৫ সালে ইউনেস্কো ইস্টার দ্বীপকে একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের স্বীকৃতি প্রদান করে, যেখানে এই দ্বীপের বেশিরভাগ অংশই রাপা নুই নামক জাতীয় উদ্যানের মধ্যে সুরক্ষিত রয়েছে। তবে দ্বীপের পলিনেশিয়ান বাসিন্দারা কখন দ্বীপে প্রথম পৌঁছেছিল তা নিয়ে গবেষকরা দ্বিমত পোষণ করেন। কেউ কেউ বলেছেন, তারা ৮০০ সালের কাছাকাছি এসেছিল। এ ছাড়া ২০০৭ সালের একটি গবেষণায় জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, তারা ১২০০ সালের কাছাকাছি সময়ে পৌঁছেছিল। সে সময়ে সেখানকার বাসিন্দারা একটি সমৃদ্ধ এবং পরিশ্রমী সংস্কৃতি তৈরি করেছিল, যা দ্বীপের অসংখ্য বিশাল মোয়াই পাথর এবং অন্যান্য শিল্পকর্ম দ্বারা প্রমাণিত। ১৭২২ সালে ইউরোপীয়দের আগমনের সময়, দ্বীপের জনসংখ্যা ২,০০০ থেকে ৩,০০০ জন অনুমান করা হয়েছিল।

চিলি ১৮৮৮ সালে ইস্টার দ্বীপকে তাদের মানচিত্রে সংযুক্ত করে। পরে ১৯৬৬ সালে, রাপা নুই সম্প্রদায়কে চিলির নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। ২০০৭ সালে দ্বীপটি সাংবিধানিক মর্যাদা লাভ করে। ২০১৭ সালে চিলির আদমশুমারি অনুযায়ী দ্বীপের বাসিন্দা ৭,৭৫০ জন নিবন্ধিত হয়, যাদের মধ্যে ৩,৫১২ জনের মতো বাসিন্দা নিজেদের রাপা নুই সম্প্রদায়ের বলে মনে করে। ইস্টার দ্বীপ বিশ্বের প্রত্যন্ত জনবসতিপূর্ণ দ্বীপগুলোর মধ্যে একটি। এই দ্বীপ থেকে নিকটতম মহাদেশীয় বিন্দুর দূরত্ব প্রায় ৩,৫১২ কিমি, যার অবস্থান মধ্য চিলিতে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত