অপসারণের দাবিতে অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২৪, ০৮:৪৪ পিএম

অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা এম ইউ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এএমএম মুহিববুল্লাহকে অফিস কক্ষে কয়েক ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় মনকান্দা গ্রামের বিক্ষুদ্ধ লোকজন তাকে আটকে রাখেন। এসময় স্থানীয় লোকজন অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে নানা স্লোগান দেন।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অধ্যক্ষ মুহিববুল্লাহকে মুক্ত করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী উসমানসহ মনকান্দা গ্রামের লোকজন জানান, অধ্যক্ষ মুহিববুল্লাহ তার ইচ্ছে মতো মাদ্রাসা পরিচালনা করে আসছেন। তিনি কখন, কাকে নিয়ে কি করেন তা আমরা কেউ কিছু জানি না। মাদ্রাসাটিকে তিনি দুর্নীতির আখড়া বানিয়েছেন। আমরা এসব অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত সাপেক্ষে বিচার চাই এবং অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি করছি।

শিক্ষিকা সুলতানা পারভীন বলেন, এখানে আমার চাকরি হয়েছে ১০-১২ বছর আগে। আমার চাকরি হওয়ার পর আমার বোনকে এখানে চাকরি দিতে অধ্যক্ষকে টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু চাকরি হয়নি। এরপর থেকে আমাকে নানাভাবে মানসিক নির্যাতন শুরু করেন অধ্যক্ষ। একপর্যায়ে আমার বেতন বন্ধ করে দেন। একুশ মাস ধরে আমার বেতন বন্ধ রয়েছে। আমি তার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলাম। কিন্তু মামলাটি খারিজ হয়ে গেছে। আমার মানবেতর জীবনযাপনের বিষয়টি গ্রামের লোকজনকে জানালে তারা অধ্যক্ষের কাছে যান। কিন্তু তিনি গ্রামের লোকজনকেও অপমান করেছেন।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ এএমএম মুহিববুল্লাহ বলেন, আমি কোনো রকম অনিয়ম-দুর্নীতি করিনি। এসব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। মাদ্রাসার ভবন নির্মাণের জন্য ৫৮ শতাংশ জায়গা স্থানীয় একজনের সাথে ওয়াজ বদল করেছি। আর শিক্ষিকা সুলতানা পারভীনকে মাদ্রাসায় আসার জন্য নোটিশ করেছি। কিন্তু তিনি আসেন না। মাদ্রাসায় না এলে তো বেতন বন্ধ থাকবেই। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত