ঘোষিত মুদ্রানীতি সম্পর্কে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আশরাফ আহমেদ বলেছেন, নতুন মুদ্রানীতি দেশের আর্থিক খাতকে পুনরুজ্জীবিত এবং প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সহায়তা করবে। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট খাতসমূহে প্রয়োজনীয় অর্থপ্রবাহ নিশ্চিত করা ও মূল্যস্ফীতি সহনীয় রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত কঠোর আর্থিক খাত নিয়ন্ত্রণের নীতিকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার। গতকাল বুধবার মুদ্রানীতি ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন ঢাকা চেম্বার সভাপতি।
বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থা নিশ্চিতে মুদ্রানীতিতে ‘ক্রগিং পেগ’ পদ্ধতি অনুসরণের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে ডিসিসিআই। ঘোষিত মুদ্রানীতিতে নীতি-সুদহার (রেপোরেট) ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৮ শতাংশ উন্নীত করে বাজারে মুদ্রাপ্রবাহ কমিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার এ উদ্যোগ কার্যকর হবে বলে ঢাকা চেম্বার সভাপতি আশা করেন।
তিনি বলেন, আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনয়নে এ নীতি সুনির্দিষ্ট প্রভাব রাখবে, তাছাড়া অন্যান্য প্রি-ফাইন্যান্সিং ও রি-ফ্যাইন্যান্সিং স্কিমের মাধ্যমে সিএমএসএমই খাতকে সহায়তার উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বিনিময় হারে স্থিতিশীলতা আনয়নে ঘোষিত মুদ্রানীতিতে গৃহীত উদ্যোগের সুফল পাওয়া যাবে বলে বিশ্বাস করেন ঢাকা চেম্বার সভাপতি আশরাফ আহমেদ। জানুয়ারি-জুন ২০২৪ মেয়াদে সরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ দশমিক ৮ শতাংশ, যদিও জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৩ মেয়াদে ৩৭ দশমিক ৯ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে অর্জিত হয়েছিল মাত্র ১৮ শতাংশ।
