নাটকীয় ব্যাটিং ধসে জিম্বাবুয়ে গুটিয়ে গেল একশর আগেই। বোলারদের দারুণ নৈপুণ্যের পর দুই ওপেনারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে অনায়াস জয় পেল শ্রীলঙ্কা।বৃহস্পতিবার তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে রোডেশিয়ানদের বিপক্ষে লঙ্কানদের জয় ৯ উইকেটে।
কলম্বোর আর প্রেমাদাসায় সফরকারীদের ৮২ রান ৫৫ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতল শ্রীলঙ্কা। প্রথম ম্যাচে লঙ্কানদের জয়ের পর দ্বিতীয়টি জিতেছিল জিম্বাবুয়ে।
শ্রীলঙ্কার নায়ক এ দিন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ৪ ওভারে স্রেফ ১৫ রানে ৪ উইকেট নেন এই লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার।
নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২টি করে শিকার ধরেন অফ স্পিনার মাহিশ থিকশানা ও পেস বোলিং অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস।
রান তাড়ায় ২৩ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় অপরাজিত ৩৯ রানের ইনিংসে দলের জয় নিয়ে ফেরেন পাথুম নিসানকা। আরেক ওপেনার কুসাল মেন্ডিস ২৭ বলে ৪টি চার ও একটি ছক্কায় করেন ৩৩ রান।
টস জিতে বোলিং নিয়ে ম্যাথিউসের হাত ধরে ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই সাফল্য পায় শ্রীলঙ্কা। পয়েন্টে সাদিরা সামারাউইক্রামার দুর্দান্ত ক্যাচে শূন্য রানে ফেরেন ক্রেইগ আরভিন।
ব্রায়ান বেনেটের দারুণ ব্যাটিংয়ে অবশ্য রান আসতে থাকে দ্রুত। ম্যাথিউসকে টানা দুটি চারের পর দিলশান মাদুশানকার টানা চার বলে বাউন্ডারি মারেন তিনি। কিন্তু ইনিংস টেনে নিতে পারেননি। তখনও কে জানত, তার ১২ বলে ২৯ রানই হয়ে থাকবে ইনিংসের সর্বোচ্চ!
১৬ বলে ৩৪ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি ভাঙার পর আর কোনো জুটিতে ২০ রানও আসেনি। দুই অভিজ্ঞ শন উইলিয়ামস ও সিকান্দার রাজা বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। পরের ব্যাটসম্যানদের আর কেউ যেতে পারেননি দুই অঙ্কে।
টনি মুনিয়োঙ্গাকে ফিরিয়ে হাসারাঙ্গার শিকার ধরা শুরু। পরে তিনি ফিরিয়ে দেন লুক জঙ্গুয়ে, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও রিচার্ড এনগারাভাকে।
ছোট লক্ষ্য তাড়ায় পাওয়ার প্লেতে ৫০ রান তুলে ফেলেন নিসানকা ও মেন্ডিস। ৪৬ বলে ৬৪ রানের শুরুর জুটি ভাঙে উইলিয়ামসের বলে মেন্ডিস বোল্ড হলে।
ধানাঞ্জয়া ডি সিলভাকে নিয়ে বাকিটা সারেন নিসানকা। রাজাকে লং অন দিয়ে ছক্কায় উড়িয়ে ম্যাচের ইতি টেনে দেন তিনি।
