বাজার নিয়ন্ত্রণে ৭ দাবি খুলনা নাগরিক আন্দোলনের

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৪, ০২:১৬ এএম

খুলনায় মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে। গত নভেম্বরে চিনির দাম ছিল ১৩৫ টাকা কেজি। তা দেড় মাসের ব্যবধানে বেড়ে হয়েছে ১৪৫ টাকা। নভেম্বরে যে মসুর ডাল কেজিপ্রতি ১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে তা এখন ১৪০ টাকা। তিউনিসিয়ার যে খেজুর ছিল প্রতি কেজি ৩০০ টাকা, তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা করে। আর কেজিপ্রতি ৬৫০ টাকার গরুর মাংসের দাম বেড়ে হয়েছে ৭০০ টাকা।

এ ছাড়া খাসির মাংস, ব্রয়লার মুরগি এবং গরিবের আমিষের অন্যতম উৎস খ্যাত পাঙ্গাশ ও তেলাপিয়াসহ সব ধরনের মাছের দাম বেড়েই চলেছে। দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে চালও। ভরা মৌসুমেও চালের বাজার অস্থির। বেড়েছে ওষুধের দামও। সব মিলিয়ে নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

এমন পরিস্থিতিকে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাত দফা দাবি জানিয়েছে নাগরিক আন্দোলন, খুলনা। গতকাল শনিবার খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

সংগঠনটির দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-অবিলম্বে অসৎ ব্যবসায়ী, মজুতদার ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, টিসিবির সংস্কার ও দুর্নীতি দূর করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বিস্তৃতি ঘটিয়ে সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে তা সহজলভ্য করা, খাদ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত ওএমএস কার্যক্রমের দুর্নীতি দূর করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সহজলভ্য করা, রমজান মাসকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীদের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির অনৈতিক কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন, বাজার মনিটরিংয়ে যুক্ত সংস্থা-কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও সততা নিশ্চিত করা, খাদ্যদ্রব্য মজুত-সংক্রান্ত যুগোপযোগী আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ নিশ্চিত করা এবং ভোক্তা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রতিটি জেলায় নিয়মিত গণশুনানির আয়োজন। এ ছাড়া একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত টাস্কফোর্স দিয়ে বাজারে নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনের সমন্বয়কারী ডা. শেখ বাহারুল আলম। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আ ফ ম মহসিন, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোড়ল নূর মোহম্মদ, অ্যাডভোটের জাহাঙ্গীর আলম সিদ্দিকী, মোজাম্মেল হোসেন খান, এম এ সবুর প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত