৭২ রানে অলআউটের পর বোলিং ইনিংসে ১৪টি ওয়াইড বল করেন চট্টগ্রামের বোলাররা। চ্যালেঞ্জার্সের চ্যালেঞ্জহীন ক্রিকেটে ৬৪ বল হাতে রেখে তাদেরকে ৭ উইকেটে হারিয়ে জয়ে ফিরল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস।
টস জিতে কাল উইকেট ও কন্ডিশন বিবেচনায় দুর্দান্ত বোলিং উপহার দেন ভিক্টোরিয়ানস স্পিনার তানভির ইসলাম। তার চার ওভারের এক স্পেলে কাবু হতে হয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের। একটি মেডেনসহ মাত্র ১৩ রান খরচায় শিকার করেন ৪ উইকেট, যা চলতি বিপিএলের দ্বিতীয়সেরা বোলিং নৈপুণ্য। ১২ রানে ৪ উইকেট শিকার করে আসরের সেরা বোলিং নৈপুণ্যের কীর্তি দখলে রেখেছেন নাহিদুল ইসলাম।
ইনিংসে ১৮টি ডট বল করেন তানভির। বল ঘুরিয়েছেন সর্বোচ্চ ৬.১ ডিগ্রি। ঘূর্ণিতে খাবি খেয়ে আট ওভার শেষে ৪৯ রান তুলতেই চট্টগ্রাম হারায় ৫ উইকেট। আর তাদের ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ৭২ রানে, যা চলতি আসরের সর্বনিম্ন ও বিপিএলের সব আসর মিলিয়ে নবম সর্বনিম্ন স্কোর। আসরে ৯ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি তানভির ইসলাম। পাঁচ ম্যাচের সবকটিতেই খেলে ইকোনমি ৫.৮১, গড় ১০.৫৫। চট্টগ্রামের পক্ষে সর্বোচ্চ ২০ বলে ২৭ রান করেন টম ব্রুস। আলিস আল ইসলাম ২টি উইকেট নেন।
৭৩ রানের লক্ষ্যে নেমেও ব্যাটে রানের দেখা পাননি লিটন। এবার ফিরেছেন ২ রানে। তবে হৃদয়-রিজওয়ানের ৪১ রানের জুটি সহজ জয় এনে দেয় কুমিল্লাকে। হৃদয় ১৩ বলে ৩১ রান করেন। রিজওয়ান অপরাজিত থাকেন ২৪ বলে ১৬ রানে। টানা তিন জয়ের পর গতবারের চ্যাম্পিয়নদের সামনে এসে বিপর্যস্ত হতে হলো চট্টগ্রামকে। পঞ্চম ম্যাচে তৃতীয় জয় তুলে নিয়ে টেবিলের তিনে উঠে এসেছে কুমিল্লা।