দেশের বাজারে আলুর সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। এই খবরেই এক দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলিতে দেশীয় আলুর দাম কমেছে কেজিতে ১০-১১ টাকা।
হিলি স্থলবন্দরের ৫০ জন আমদানিকারক ৩২ হাজার টন আলু আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। আগামী শনিবার বা রবিবার বন্দর দিয়ে আলু আমদানি শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারকরা।
গতকাল শুক্রবার সরেজমিন হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবারও যে দেশীয় আলু ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল তা কমে গতকাল বিক্রি হয়েছে ২৪-৩০ টাকা।
হিলি বাজারে আলু কিনতে আসা লিটন হোসেন বলেন, এবারে আলুর দাম নিয়ে যা হয়েছে বিগত ১০ বছরে এমনটি দেখা যায়নি। সরবরাহ কমের অজুহাতে দাম বাড়তে বাড়তে ৬০-৭০ টাকায় উঠে গিয়েছিল আলুর দাম।
হিলি বাজারের আলু বিক্রেতা মনিরুল ইসলামের দাবি, আলুর বাজার নির্ভর করে মূলত সরবরাহের ওপর। এখন সব অঞ্চলে ক্ষেত থেকে আলু উঠতে শুরু করেছে। তাই গত কয়েক দিন ধরে বাজারে সরবরাহ যেমন বাড়ছিল তেমনি দাম কমে আসছিল। তিনি মনে করেন, আমদানির অনুমতি দেওয়ায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।
হিলি স্থলবন্দরের আলু আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম বলেন, রবিবার এলসি খুলে সেদিনই আলু আমদানি শুরু করতে পারবেন। ভারতীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের সেভাবেই কথা হয়ে আছে। ভারত থেকে আমদানিকৃত আলুর দাম ২০ থেকে ২৫ টাকা বা এক-দুই টাকা বেশি হতে পারে।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী জানান, আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত আলু আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
দেশে আলুর দাম বেড়ে গেলে গত বছরের ৩০ অক্টোবর সরকার আমদানির অনুমতি দেয়। এক মাসের অনুমতির পরে আরও ১৫ দিন বাড়ানো হয়।
