স্বামীকে আবাসিক হলে আটকে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল জাহাঙ্গীর বিশ্ববিদ্যালয়। এ ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগ নেতাসহ অভিযুক্তদের বিচার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও মানববন্ধন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে ছাত্রলীগ নেতাসহ চারজনকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
এদিকে ধর্ষণকাণ্ডের পর থেকে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। জড়িতদের বিচার দাবিতে অনেকেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
এ ঘটনায় রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল একটা ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। স্বামীকে আবাসিক হলে আটকে রেখে স্ত্রীকে হলসংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেছে এক ছাত্রলীগ নেতা ও তার অনুসারী। বছর কয়েক আগে সিলেটের এমসি কলেজেও এমন ঘটনা ঘটেছিলো।’
তিনি আরও লিখেন, ‘তাদের (ছাত্রলীগ) ধর্ষণ করার অধিকার কি আমরা মেনে নিয়েছি? না হলে বিচার হয়না কেন এই ধর্ষকদের? কেন তাদের বিরুদ্ধে প্রবলভাবে রুখে দাড়ায়না শিক্ষক-ছাত্ররা? কেন মানবাধিকার আর নারী অধিকার কর্মীরা চুপ থাকেন বা প্রতিবাদ করেন বিচ্ছিন্ন বাতাস তুলে, যাতে ভিত নড়েনা ধর্ষনকারীদের?’
উল্লেখ্য, শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভুক্তভোগী নারী তার স্বামীর সঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আসলে তাকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ও ভুক্তভোগীর পূর্ব পরিচিত মামুন নামের এক যুবক মীর মশাররফ হোসেন হল সংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন।