দুমকিতে বন্ধ হয়নি অবৈধ ৭ ডায়াগনস্টিক সেন্টার

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:৪৯ এএম

পটুয়াখালীর দুমকিতে বন্ধ হয়নি লাইসেন্সবিহীন অবৈধ প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১০টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে মাত্র তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের হালনাগাদ লাইসেন্স পাওয়া গেলেও রহস্যজনক কারণে বাকি সাতটি অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করা হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, তদন্ত টিমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কয়েকজন ওইসব অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল ব্যবসায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। এ ছাড়া কিছু ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের কারণে এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়নি।

জানা যায়, স্বাস্থ্যসেবার নামে সারা দেশে গড়ে ওঠা অবৈধ প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ওই অভিযানের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত টিম গত ১৮ জানুয়ারি সরেজমিন পরিদর্শন করে ১০টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে গ্রিন স্কয়ার হাসপাতাল, সুরক্ষা জেনারেল হাসপাতাল ও লেবুখালী ইসলামিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের হালনাগাদ লাইসেন্স পায়। বাকি সাতটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স না থাকাসহ নানা ত্রুটি ধরা পড়লেও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

পরিদর্শক দলের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্য ক্যাডারের তিনজন চিকিৎসকের নামে-বেনামের মালিকানাধীন লাইসেন্সবিহীন নিউ লাইফ ডিজিটাল মেডিকেল সার্ভিসেস ও সুরক্ষা মেডিকেল সার্ভিসেস পরিদর্শনকালে বন্ধ ছিল বলে প্রতিবেদনের মন্তব্য কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ একই প্রতিবেদনে বন্ধ থাকা প্রতিষ্ঠান দুটির পরিবেশগত ছাড়পত্র, পরমাণু কমিশন ও ফায়ার সার্ভিস ছাড়পত্র আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তদন্ত টিমের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করে তদন্ত টিম প্রধান ডা. আবিদ হাসান বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের।’

পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. এসএম কবির হাসান বলেন, ‘অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে শিগগিরই টিম পাঠানো হবে। হালনাগাদ কাগজপত্রবিহীন সবগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত