সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে প্রেম, মুকুট ফিরিয়ে দিলেন জাপানি সুন্দরী

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:৫৩ এএম

বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে প্রেম বিতর্কে মুকুট ফিরিয়ে দিলেন ‘মিস জাপান’ সুন্দরী প্রতিযোগিতার বিজয়ী ক্যারোলিনা শিনো। খবর ডেইলি মেলের। গত মাসেই জাপানের সেরা সুন্দরীর মুকুট মাথায় উঠেছিল ক্যারোলিনা শিনোর। বাবা ভিনদেশি হওয়া সত্ত্বেও তাঁর এই খেতাব অর্জন নিয়ে নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় একটি ম্যাগাজিনে ২৬ বছর বয়সী শিনোর সঙ্গে একজন বিবাহিত পুরুষের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে বলে জানায় আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

ইউক্রেনে জন্ম নেওয়া ২৬ বছর বয়সী ক্যারোলিনা শিনো একজন বিবাহিত চিকিৎসক ও ইনফ্লুয়েন্সারের সঙ্গে প্রেম করছেন বলে সম্প্রতি খবর প্রকাশ করেছে জাপানি সাপ্তাহিক ট্যাবলয়েড দ্য শুকান বুঁশুন। এই খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর মিস জাপান অ্যাসোসিয়েশন তাৎক্ষণিকভাবে ক্যারোলিনা শিনোর পাশে দাঁড়ায় এবং দাবি করে, শিনো জানতেন না তাঁর প্রেমিক বিবাহিত।

এদিকে, সোমবার মিস জাপান অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা জানান, ক্যারোলিনা শিনো স্বীকার করেছেন, না জেনে বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর দাবিটি সত্য নয়। বিবাহিত জানার পরও তিনি ওই চিকিৎসকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। পরে তিনি সেরা সুন্দরীর মুকুট ফিরিয়ে দেন।

এ বিষয়ে ক্যারোলিনা শিনো বলেন, নানা ধরনের ঝামেলা পাকানো এবং যারা আমাকে সমর্থন করেছিলেন তাদের সঙ্গে প্রতারণা করার জন্য আমি সত্যিই দুঃখিত। শিনো জানান, শুরুতে তিনি ভয় এবং আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে মিথ্যা বলেছিলেন।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে দ্য ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ফাঁস হওয়ার পর আবারও পুরোনো বিতর্কটি সামনে চলে আসে। মিস জাপান খেতাব অর্জনের পর অনেকেই শিনোর বিরোধিতা করেছিলেন এই বলে যে, ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত হওয়ায় তিনি জাপানি সৌন্দর্যের মানদণ্ডগুলোর প্রতিনিধিত্ব করেন না।

ক্যারোলিনা শিনোর বাবা ছিলেন ইউক্রেনের এবং মা জাপানি। জন্মের পর পাঁচ বছর বয়সে তিনি মায়ের সঙ্গে ইউক্রেন থেকে জাপানে চলে এসেছিলেন। পরে তিনি নিজের নামের সঙ্গে জাপানি সৎ বাবার নামের শেষাংশ যোগ করে ২০২২ সালে জাপানি নাগরিকত্ব অর্জন করেন। গত মাসে মিস জাপানের খেতাব অর্জনের পর তিনি বলেছিলেন, ‘আমি অনেকবার জাপানি হতে গিয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছি। কিন্তু আমি আজ জাপানি হিসাবে স্বীকৃত হওয়ায় কৃতজ্ঞতায় পরিপূর্ণ।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত