পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে সবাইকে পেছনে ফেলে শীর্ষে পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। দলটির কারাবন্দী নেতা ইমরান খানের পক্ষেই এসেছে জনরায়। ২৩৮টি আসনের মধ্যে ৯৭টিতেই জিতেছে তারা।
এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত বেসরকারিভাবে ২৩৮টি আসনের ফলাফল পাওয়া গেছে। ২৭টি আসনের ফল আসেনি। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক লাইভ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তান ট্রিবিউন।
নির্বাচনের ফলাফলে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এন। দলটি আসন পেয়েছে ৬৬টি। এরপর রয়েছে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির দল পিপিপি। তারা জিতেছে ৫১টি আসনে। বাকি ২৩টি আসনে জিতেছে অন্য দলগুলো।
পাকিস্তানে এবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৬তম সাধারণ নির্বাচন। বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয় পাকিস্তানে। এর প্রায় ১৩ ঘণ্টার পর শুক্রবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা শুরু করে নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)।
এবারের নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে পিএমএল-এন ও পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে। আইনি প্রতিবন্ধকতায় এবার নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি ইমরান খান। নির্বাচনী প্রতীক ক্রিকেট ব্যাটও মেলেনি তার প্রার্থীদের। শেষ পর্যন্ত স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে সবাই।
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে একক সরকার গঠন করতে চাইলে ১৩৪টি আসনে জিততে হয়। এবার একক সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় আসনে জয়ী হতে পারেনি কোনো দল। ইতোমধ্যেই জোট সরকার গঠনে অপর দলগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন নওয়াজ শরিফ।
তিনি জানিয়েছেন, জোট সরকার গঠনে উদ্যোগ নিতে শেহবাজ শরিফকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি ফজলুর রহমান, খালিদ মকবুল সিদ্দিকী ও আসিফ আলি জারদারির সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। পিএমএল-এন সুপ্রিমোর মতে দেশকে সংকট থেকে উত্তোরণের দায়িত্ব তার দলের। তার দলের একমাত্র এজেন্ডা সমৃদ্ধ পাকিস্তান।
পাকিস্তানে এবার ২৬৬ আসনে ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্বাচনের আগে দুর্বৃত্তের গুলিতে এক প্রার্থী নিহত হওয়ায় একটি আসনে ভোট স্থগিত করা হয়।
পাকিস্তানে ভোটার বিদ্রোহ
ফলাফলের আগেই বিজয় ভাষণ দিলেন নওয়াজ শরিফ