আগামী দশকের মধ্যে পশ্চিমের দেশগুলোর সাথে একটি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া। এমনটাই দাবি করা হয়েছে এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে।
উত্তর ইউরোপের দেশ এস্তোনিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। মঙ্গলবার রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
রয়টার্স জানায়, কয়েকজন পশ্চিমা কর্মকর্তা রাশিয়ার কাছ থেকে ন্যাটোর পূর্ব দিকের দেশগুলির জন্য সামরিক হুমকির বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তারা ইউরোপকে পুনরায় অস্ত্র তৈরি করে প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার এস্তোনিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা জানায় যে, আগামী দশকের মধ্যে পশ্চিমের দেশগুলোর সাথে সামরিক সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া। আর এসব দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করে রাশিয়াকে বাঁধা দিতে হবে।
গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান কাউপো রোসিন বলেন, ‘ন্যাটো সদস্য ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং লাটভিয়ার বাল্টিক রাজ্যগুলোর সাথে রাশিয়ার সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার ও দ্বিগুণ পরিমাণ সৈন্য মোতায়েন করেছে রাশিয়া’। এর মাধ্যমে রাশিয়ান পরিকল্পনার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এস্তোনিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি প্রতিবেদন প্রকাশের সময় রোসিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাশিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদী সংঘর্ষের পথ বেছে নিয়েছে। ক্রেমলিন সম্ভবত আগামী এক দশকের মধ্যে ন্যাটোর সাথে একটি সম্ভাব্য সংঘর্ষের প্রত্যাশা করছে’।
রাশিয়ার দ্বারা সামরিক আক্রমণ স্বল্পমেয়াদে অসম্ভব বলেও জানান তিনি। কারণ রাশিয়াকে ইউক্রেনেও সৈন্য রাখতে হবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, "যদি আমরা প্রস্তুত না হই, তাহলে রাশিয়ান সামরিক আক্রমণের সম্ভাবনা অনেক বেশি হবে’।
২০১৪ সালে রাশিয়া ক্রিমিয়াকে অধিভুক্ত করার পর এস্তোনিয়া এবং অন্যান্য বাল্টিক রাষ্ট্রগুলি তাদের সামরিক ব্যয় অর্থনীতির ২ শতাংশ এর বেশি বাড়িয়েছে এবং ন্যাটো মিত্ররা এই দেশগুলোতে তাদের উপস্থিতি বাড়িয়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ২০২৭ সালের মধ্যে এই অঞ্চলে ৪৮০০ যুদ্ধ-প্রস্তুত সৈন্য রাখার পরিকল্পনা করেছে। এসব বিষয়ে রোসিন মন্তব্য করেন যে, ‘ন্যাটো এবং তার মিত্ররা রাশিয়ার হুমকি মোকাবেলায় সঠিক পথে এগোচ্ছে’।
নেতানিয়াহুকে গাধা বললেন বাইডেন