ফিরে এসেও আগ্রাসী সিটির সঙ্গে পারল না কোপেনহেগেন

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:২৭ পিএম

পেপ গার্দিওলা কোচ ছিলেন এমন দুটি ম্যাচে কোপেনহেগেন ঘরের মাঠে দুবার রুখে দিয়েছিল প্রতিপক্ষকে।  অতি সম্প্রতি ২০২২ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ ম্যাচে গোলশূণ্য ড্র করেছিল কোপেনহেগেন ম্যানসিটির সঙ্গে। তার আগে ২০১০ সালে বার্সেলোনার লিওনেল মেসির গোল এক মিনিট পরই শোধ করে দিয়েছিল কোপেনহেগেন। 

ডেনিশ রাজধানী পার্কেনে তেমনই ঘটনার জন্ম দিতে যাচ্ছিল কোপেনহেগেন। ১০ মিনিটে ফিল ফোডেনের করা গোল ৩৪ মিনিটে ম্যাগনাস ম্যাটসন শোধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু সমতাটা রক্ষা করতে পারেনি কোপেনহেগেন। আগ্রাসী ম্যানসিটির কবলে পড়ে শেষপর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শেষ ১৬'র প্রথম লেগ ১-৩ গোলে হেরে গেছেন কোপেনহেগেন। ব্যবধান আরো বাড়তে পারতো গোল পোস্টের নিচে কামিল গ্রাবারা একের পর এক শট ফিরিয়ে না দিলে। ৭৯ শতাংশ সময় বল দখলে রাখা সিটি গোলের জন্য নেয় ২৭ শট। এর ১৩টি ছিল লক্ষ্যে। গ্রাবারার নৈপূণ্যে সেগুলো থেকে গোল হয়নি। 

একাদশ মিনিটে এগিয়ে যায় সিটি। ফোডেনের বাড়ানো বলে ডি বক্সে অরক্ষিত ডে ব্রুইনে দারুণ ফিনিশিংয়ে দূরের পোস্ট দিয়ে জাল খুঁজে নেন। ৩৪ মিনিটিএ খেলার ধারার বিপরীতে গোল করে সমতা ফেরায় কোপেনহেগেন। এতে বড় দায় সিটি গোলরক্ষক এডেরসনের। ব্যাকপাস ক্লিয়ার করতে গিয়ে তিনি বল তুলে দেন প্রতিপক্ষের মিডফিল্ডার মোহামেদ এলিয়োনোসির পায়ে। তার শট রুবেন দিয়াস ব্লক করলে ডি বক্সের বাইরে পেয়ে যান ম্যাটসন। এই মিডফিল্ডারের বাঁকানো শট পোস্ট ঘেঁষে জড়ায় জালে। লক্ষ্য এটাই ছিল স্বাগতিকদের প্রথম শট। চলতি মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এ নিয়ে ১৩বার লক্ষ্যে থাকা প্রথম শটে গোল হজম করল ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা।

যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে সিলভার অসাধারণ ফিনিশিংয়ে ফের এগিয়ে যায় সিটি। প্রতিপক্ষণের রক্ষণে বলের নিয়ন্ত্রণ প্রায় হারিয়ে ফেলেছিলেন ডি ব্রুইনে। ম্যাটসনের পায়ে লাগার পরও কোনোমতে ডি বক্সে বল বাড়ান তিনি। দ্রুত গতিতে দৌড় দিয়ে পা একটু বাঁকিয়ে দিক পাল্টে দিয়ে জাল খুঁজে নেন সিলভা। চলতি আসরে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি পর্তুগিজ মিডফিল্ডারের অষ্টম গোল।
যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে সিটির তিনটি চেষ্টা ঠেকিয়ে দেয় স্বাগতিকরা। শুরুতে আর্লিং হালান্ডের শট ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক। ফিরতি বলে মাথিউস নুনেসের শট ব্লক করেন ভাভারো। পরে ফোডেনের শটও ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক। তবে কয়েক সেকেন্ড পর ঠিকই জালের দেখা পান ফোডেন। ডি ব্রুইনের কাছ থেকে বল পেয়ে গ্রাবারাকে পরাস্ত করেন ইংলিশ মিডফিল্ডার।
এই জয়ে ৫ মার্চ ইতিহাদে ফিরতি ম্যাচ দুদলের। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত