থমকে গেল গাজা যুদ্ধবিরতির আলোচনা

  • কায়রোতে বহুপক্ষীয় আলোচনা আরো তিন দিন অব্যাহত থাকলেও ইসরায়েলি প্রতিনিধিদল দেশে ফিরে গেছে
  • ফলে থমকে গেছে বহুপ্রতীক্ষিত গাজা যুদ্ধবিরতি আলোচনা
আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০২:০৯ পিএম

ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে কায়রোতে মঙ্গলবার আলোচনায় বসেছিল মিশর, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার। কিন্তু কোনও ধরনের কার্যকারিতা ও কোন ধরনের সমঝোতা ছাড়াই সেই আলোচনা শেষ হয়েছে।

কায়রোতে বহুপক্ষীয় আলোচনা আরো তিন দিন অব্যাহত থাকলেও ইসরায়েলি প্রতিনিধিদল দেশে ফিরে গেছে। ফলে থমকে গেছে বহুপ্রতীক্ষিত গাজা যুদ্ধবিরতি আলোচনা।

মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানায় কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা।

মূলত যুক্তরাষ্ট্র, মিসর, ইসরায়েল ও কাতার এই আলোচনার আয়োজন করে। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের নির্দেশে দেশে আলোচনা অসমাপ্ত রেখেই দেশে ফেরত যায় ইসরায়েলি প্রতিনিধিদল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং বন্দী বিনিময় নিয়ে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের মধ্যে মতের ব্যাপক অমিল হওয়ায় কোনো সমঝোতা হয়নি।

হামাস বলছে তারা কায়রো সম্মেলনের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছেন। তবে আগ্রাসন ও যুদ্ধ বন্ধ করবে, এমন যেকোনো আলোচনায় তারা যোগ দিতে রাজি। যদিও তাদের শঙ্কা গাজায় বন্দী ইসরায়েলিদের মুক্তির পর ইসরায়েল গাজাতে পুনরায় ধ্বংসলীলা বা যুদ্ধ শুরু করবে।  

এদিকে প্রবল চাপ উপেক্ষা করে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ শহরে অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে উদ্বেগ প্রকাশ করছে বিভিন্ন দেশ।

রাফায় স্থল অভিযান বন্ধে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের কাছে অনুরোধ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

গত ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজায় নির্বিচারে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। মধ্যে চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে অবরুদ্ধ এ ভূখণ্ডে কমপক্ষে ২৮,৪৭৩ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস-পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় মোট ৬৮ হাজার ১৪৬ জন আহত হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত