চলতি বছর সংগীত-নৃত্য-অভিনয়ে একুশে পদক পেয়েছেন আটজন। তারা হলেন সংগীতে জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্র দেব; নৃত্যকলায় শিবলী মোহাম্মদ; অভিনয়ে ডলি জহুর ও এমএ আলমগীর।
তবে সংগীতে পদক নিয়ে আপত্তি তুলেছেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতজ্ঞ প্রিন্স মাহমুদ। তিনি নিজের ফেসবুকে পোস্টে লিখেছেন, ‘আলাউদ্দিন আলী এবারও একুশে পদক পেলেন না। এন্ড্রু কিশোর বেঁচে থাকলে আলাউদ্দিন আলীকে পদক না দিয়ে তাকে দেওয়া হচ্ছে জানতে পারলে লজ্জা পেতেন...’
শুধু তাই নয়, শুভ্রদেবের আগে আরও অনেকের এই রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রাপ্য জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের সংগীতে শুভ্র দেবের অবদান আছে কিন্তু তার চেয়ে অনেক বেশি অবদান লাকী আখন্দ, নকিব খান, আইয়ুব বাচ্চু, কুমার বিশ্বজিৎ, তপন চৌধুরী, হামিন আহমেদ, মাকসুদ, মাহফুজ আনাম জেমস এবং প্রিয় গীতিকবি কাওসার আহমেদ চৌধুরী ও শহীদ মাহমুদ জঙ্গির। প্রিয় শুভ্র দেবের উচিত এই প্রসঙ্গে কথা বলা। নিজে পদক না গ্রহণ করে সত্যকার মেধাবীকে পদক দিতে বলার এই সংস্কৃতি এখনই শুরু হোক...’
শুভ্রদেব একটি উদাহরণ মাত্র। এমনটাই জানিয়ে প্রিন্স মাহমুদ বলেন, ‘শুভ্র দা আমার কাছের মানুষ আমার ওপর রাগ করবেন কিন্তু সত্য বলছি এই সত্য যদি স্বীকার করেন তাহলে শিল্পী হিসেবে তার জায়গা অনেক ওপরে থাকবে। এখানে শুভ্র দেব নামটি উপলক্ষ মাত্র। যিনি পদক পাচ্ছেন তিনি যদি উপলব্ধি করেন তার চেয়ে যোগ্যতর মানুষটি পদকের ক্ষেত্রে বঞ্চিত তিনি তার কথা বলে যাবেন। সব ক্ষেত্রেই তা হওয়া উচিত। এই চর্চা আমাদের থাকলে আরও বহু গুণী মানুষ (চিত্রশিল্পী, সংগীতশিল্পী, সাহিত্যিক, অভিনেতা, নৃত্যশিল্পী ইত্যাদি) খুঁজে পেতাম আমরা। যাই হোক, সত্যকার মেধাবীকে পদক দিতে বলার এই সংস্কৃতি আজ থেকেই, এখনই শুরু হোক।’
বুধবার সন্ধায় দেশ রূপান্তরকে প্রিন্স মাহমুদ বলেন আমি শুভ্র দেবের কথা প্রতিকী অর্থে বলেছি। আসলে আলাউদ্দিন আলীকে আগে পদক দেওয়া উচিত ছিল।
