অফিস সহায়কের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে আটকে রাখা দুই মাসের বেতন শিটের একটিতে স্বাক্ষর করলেন উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। ফলে ডিসেম্বর মাসের বেতন-ভাতা জমা হলো চার কর্মচারীর অ্যাকাউন্টে।
গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেতন শিটে স্বাক্ষর করেন তিনি। এর আগে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি নিয়ে আবারও কর্মচারীর বেতন আটকে দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে দেশ রূপান্তর।
ডিসেম্বর মাসের বেতনের টাকা জমার বিষয়টি নিশ্চিত করেন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর অঞ্জনা দত্ত। তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাসের বেতন শিটে স্বাক্ষর করেছেন চেয়ারম্যান ম্যাডাম। জানুয়ারি মাসের বেতন শিট তৈরি করতে বলেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত নভেম্বর মাসে মোয়াজ্জেম হোসেন সুমনের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে বিভাগীয় কমিশনার ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছিলেন উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জয়নব বিবি জলি।
একই সময় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বর্তমান সংসদ সদস্য এস এম আল মামুনের অনুসারী হওয়াতে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নব বিবি জলি কর্তৃক তাকে নানাভাবে হয়রানি করার অভিযোগে বিভাগীয় কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন অফিস সহায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন সুমন।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও অফিস সহায়কের মাঝে চলমান দ্বন্দ্বের জের ধরে পরিষদের চারজন কর্মচারীর ডিসেম্বর মাসের বেতন শিটে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষর করলেও সে সময় স্বাক্ষর করেননি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
অপরদিকে অফিস সহায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন সুমনকে বাদ দিয়ে বেতন শিট তৈরি করতে বলেন চেয়ারম্যান জয়নব জলি। কিন্তু নিয়মের ব্যত্যয় ঘটায় তিনজনের বেতন শিটে স্বাক্ষর দেননি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। ফলে চারজনের ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি মাসের বেতন-ভাতা আটকে যায়।
