আগের ম্যাচে ৭০, আজ ১১৬ রানের অতিমানবীয় ইনিংস। তানজিদ তামিমের ব্যাটে ৮ চারের সঙ্গে ছক্কাও ৮টা। এবারের বিপিএলে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস খেলার পথে দখলে নিয়েছেন রান সংগ্রাহকদের শীর্ষস্থানও। তার ব্যাটে ভর করে ২০ ওভার শেষে ১৯১ রান সংগ্রহ করেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।
বিপিএলের এবারের আসরে তৃতীয় সেঞ্চুরিয়ান হয়ে চট্টগ্রাম পর্ব রাঙিয়ে দিলেন ঘরের দলের ওপেনার তামিম। তাওহীদ হৃদয়ের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসাবে ছুঁয়েছেন শতকের মাইলফলক। ৩২ বলে পঞ্চাশ রান পাওয়া তামিম সেঞ্চুরি করতে খরচ করেছেন কেবল ২৬ বল। রেকর্ড সেঞ্চুরির পথে তামিম দখল করেছেন রান সংগ্রাহকদের শীর্ষস্থানও, ১১ ইনিংস খেলা তামিমের নামের পাশে এখন ৩৮২ রান।
টসে জিতে যথারীতি আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত জানান চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের অধিনায়ক শুভাগত হোম। বিপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা আরব-আমিরাতের ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিম আস্থার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হন। জশ ব্রাউনের জায়গায় খেলতে নেমে ৭ বলে করেছেন কেবল ১। নিজের প্রথম ওভার করতে এসে মাত্র ১ রান খরচায় নাসুম শিকার করেন ওয়াসিমকে।
এরপর সৈকত আলিকে নিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান ওপেনার তামিম। উইকেটের ধাক্কা সামলে তারা রানের চাকায়ও বাড়িয়েছেন গতি। ৩৭ বলের এই জুটিতে আসে ৫৬ রান, যার ৩৬ রানই তামিমের ব্যাটে। থিতু হয়ে যাওয়া সৈকত অবশ্য ইনিংস টানতে পারেননি বেশিক্ষণ। ১৭ বলে ১৮ করা সৈকত উইকেট হারান জেসন হোল্ডারের বলে। চারে নামা টম ব্রুস তখন তামিমের সঙ্গী হন।
এদিন শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে থাকা তামিম পঞ্চাশ রান করেন ৩২ বলে। এরপর আরও মারমুখী হয়ে ৫৮ বলে শতক পূর্ণ করে উদযাপনে মাতেন তানজিদ তামিম। ব্রুসের সঙ্গে তামিমের জুটির ১০০ রান পূর্ণ হয় কেবল ৫৭ বলে। শেষপর্যন্ত তানজিদ তামিম উইকেট হারান ওয়াইন পারনেলের ইয়র্কারে। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে ৬৫ বলে খেলেন ১১৬ রানের অনবদ্য এক ইনিংস। যা এবারের বিপিএলে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস। তামিমের বিদায়ে ভাঙে ১১০ রানের জুটি, যা আসে কেবল ৬১ বলে।
ইনিংসের শেষ ওভারে মুকিদুল মুগ্ধ উইকেটের দেখা পান ৫ বলে ১০ করা রোমারিও শেফার্ডকে ফিরিয়ে। টম ব্রুস আরেক প্রান্তে দাঁড়িয়ে তখনও তাণ্ডব চালিয়ে যান
