কৃষক আন্দোলন

সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, আবারও 'দিল্লি চলো' রোডমার্চ

  • রোববার তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সাথে বৈঠকে বসেন কৃষকনেতারা। বৈঠকে কৃষকদের ধান ও গম চাষের পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের ডাল, ভুট্টা ও তুলা চাষ করার প্রস্তাব দেন মন্ত্রীরা
  •  কৃষকদের মূল দাবি থেকে নজর ঘোরানোর জন্য কেন্দ্র এই প্রস্তাবগুলো দিয়েছে বলে মনে করছেন কৃষকনেতারা
আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৩:২৫ পিএম

ভারতের কৃষক নেতাদের সাথে সরকারের আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। সরকারের দেওয়া ডাল, তুলা বা ভুট্টা চাষের সরকারি প্রস্তাবগুলো সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেঙ্কৃষক নেতারা। ফলে দিল্লি অভিমুখে রোডমার্চ আবারও শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানায় ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা বিবিসি।

গত রোববার রাতে চণ্ডীগড়ে তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সাথে বৈঠকে বসেন কৃষকনেতাদের একটি দল। বৈঠকে কৃষকদের ধান ও গম চাষের পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের ডাল, ভুট্টা ও তুলা চাষ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন মন্ত্রীরা।

এছাড়া সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ন্যুনতম সহায়তা মূল্যে (এমএসপি) আগামী পাঁচ বছর ডাল, ভুট্টা ও তুলা কেনার প্রস্তাব দিয়েছিল। এ ক্ষেত্রে কেনার পরিমাণে কোনো সর্বোচ্চ সীমার কথাও উল্লেখ করেনি সরকার।

তবে এই প্রস্তাব স্বার্থের পরিপন্থী জানিয়ে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছেন আন্দোলনকারী কৃষকনেতারা। কৃষকদের মূল দাবি থেকে নজর ঘোরানোর জন্য কেন্দ্র এই প্রস্তাব দিয়েছে বলে মনে করছেন তারা।

আগামীকাল থেকে পুনরায় দিল্লি চলো’ অভিযান শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

অরাজনৈতিক সংগঠন সংযুক্ত কিসান মোর্চার (এসকেএম) নেতা জগজিৎ সিং দালেওয়াল চলমান 'দিল্লি চলো' বিক্ষোভের মূল সংগঠক। ২০২০-২১ সালের সর্বশেষ কৃষক আন্দোলনেও নেতৃত্বও দিয়েছিল এসকেএম।

সংগঠনটি দাবি করেছে, সরকারের এই সুনির্দিষ্ট কিছু পণ্যে এমএসপি সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাবের উদ্দেশ্য হল কৃষকদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা ও মূল দাবি থেকে অন্য দিকে নজর সরিয়ে নেওয়া।

এদিকে সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে শুক্রবার থেকে বন্ধ থাকা অভিযান শুরুর ঘোষণায় নড়েচড়ে বসেছে হরিয়ানা ও দিল্লি। কৃষকদের প্রতিরোধে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত