খৎনা করাতে গিয়ে রাজধানীর মালিবাগের এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে গত মঙ্গলবার মৃত্যু হয় শিশু আয়ানের। জে এস হাসপাতালে ডা. এস এম মুক্তাদিরের তত্ত্বাবধানে আয়ানের খতনা হয়। তার সহযোগী হিসেবে ছিলেন ডা. মাহবুব ও ডা. ইশতিয়াক আজাদ।
মুক্তাদির নিজেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অর্থোপেডিক সার্জন ও মাহবুব একই হাসপাতালের অবেদনবিদ্যা (অ্যানেস্থেসিওলজি) বিভাগের চিকিৎসক এবং ইশতিয়াক ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক বলে আয়ানের বাবা ফখরুল আলমের কাছে পরিচয় দিয়েছিলেন। তবে বিএসএমএমইউ ও ঢামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে অভিযুক্ত ৩ জন তাদের এই দুই হাসপাতালের চিকিৎসক নয়।
বিএসএমএমইউইয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. হাফিজুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর দেখে আমি অর্থোপেডিক ও অ্যানেস্থেসিওলজি বিভাগে খবর নিয়েছি, উভয় বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আমাকে জানিয়েছেন এ নামের কোনো চিকিৎসক নেই। সম্ভবত তারা নিজেদের মিথ্যা পরিচয় আড়াল করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
গ্রেপ্তার মুক্তাদির ও মাহবুব ভুয়া চিকিৎসক কি না এমন প্রশ্নের জবাবে হাতিরঝিল থানায় ওসি শাহ মো. আওলাদ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, গ্রেপ্তার ডাক্তার মুক্তাদির ও মাহবুব জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় জানিয়েছেন তারা জে এস হাসপাতালেই প্রাক্টিস করতেন। এখন তারা সত্যিকার না ভুয়া ডাক্তার তা হয়তো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে যে তদন্ত চলছে সেখানে বেরিয়ে আসবে। পুলিশ যদি আসামিদের রিমান্ডে পেত তাহলেও তাদের এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারতো।
