জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ডাকতে অস্বীকৃতি জানানোয় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। সংসদের নিম্নকক্ষ সম্পূর্ণ না হওয়ায় অধিবেশন ডাকা থেকে বিরত থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট আলভির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। সরকার গড়তে পিএমএল-এনের সঙ্গে জোট করা পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি বলেছেন, তার এই পদক্ষেপ সংবিধান লঙ্ঘনের শামিল।
এছাড়াও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হলে প্রেসিডেন্ট আলভি জাতীয় পরিষদ ভেঙে দিয়েছিলেন। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। তবে প্রেসিডেন্টকে অভিশংসনের কোনো পরিকল্পনা পিপিপির নেই বলে জানিয়েছেন বিলাওয়াল।
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের (পিএমও) একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা প্রেসিডেন্ট আলভির আপত্তি প্রত্যাখ্যান করেছে। সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে, নির্বাচনের ২১ দিনের মধ্যে জাতীয় পরিষদের প্রথম অধিবেশন ডাকতে হবে। একই সঙ্গে সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে অধিবেশন আহ্বান করতে পারবেন প্রেসিডেন্ট।
যদিও জাতীয় পরিষদের স্পিকার আগামীকাল (২৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় অধিবেশন ডাকায় নতুন সরকার গঠন বাধাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইঁদুরের জন্য তিন দিন বিমানের উড্ডয়ন বাতিল