আগের ম্যাচে বলই করেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ঠিকই তার হাতে বল তুলে দেন বরিশাল অধিনায়ক তামিম। নিজের প্রথম ওভারেই যখন নিকোলাস পুরানকে সৌম্যর ক্যাচে পরিণত করেন, সেই উ্ল্লাসের নেতৃত্ব দেন ডেভিড মিলার। জিমি নিশামের ক্যাচ লুফে নিয়ে মুশফিকুর রহিম উইকেটরক্ষক থেকে গোলরক্ষক বনে যান বলকে লাথি মারার ধরনে। ফরচুন বরিশাল ক্রিকেটারদের শরীরী ভাষার এই তেজই বলে দেয় ম্যাচের উত্তেজনা কোন পর্যায়ে।
তবে প্রত্যাশার চেয়ে কম রানে রংপুরকে বেঁধে ফেলার স্বপ্ন মাটি হয় শামীম হোসেনের ব্যাটে। ৭৭ রানে ৭ উইকেট হারানো রংপুর শেষ পর্যন্ত যোগাড় করে ১৪৯ রান। ফাইনালে যেতে তাই বরিশালকে করতে হবে ১৫০ রান।
৭ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর শেষদিকে শামীম হোসেনের ব্যাটে ভর করে ১৫০ ছোঁয়া পুঁজি পায় রংপুর। শামীম ২০ বলে তুলে নেন ফিফটি। যৌথভাবে চলতি আসরের দ্রুততম ফিফটি এটি। শামীমের পঞ্চম টি-টোয়েন্টি ফিফটি, বিপিএলে তৃতীয়। ২৪ বলে ৫ চার ও ৫ ছয়ে করেন অপরাজিত ৫৯ রান। গত বছর এ দুই দলের দেখায় শামীম করেছিলেন ৫১ বলে ৭১ রান। সেই ইনিংসটাই যেন ফিরিয়ে আনলেন শামীম।
অষ্টম উইকেটে আবু হায়দার রনিকে নিয়ে গড়েন ৩৩ বলে ৭২ রানের জুটি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২ বলে ২৮ রান আসে জিমি নিশামের ব্যাটে। রনি অপরাজিত থাকেন ৯ বলে ১২ রানে।
বরিশালের হয়ে দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসেই শেখ মেহেদি ও সাকিব আল হাসানের উইকেট তুলে নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তিনি নেন ২ উইকেট। জেমস ফুলার শিকার করেন ৩ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন কাইল মায়ার্স ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
